[gtranslate]

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা পানিবন্দি কয়েক লক্ষ মানুষ


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : জুন ১৬, ২০২২, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ / ৪৫
সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা পানিবন্দি কয়েক লক্ষ মানুষ

 

গত ২৪ ঘন্টা টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সুনামগঞ্জে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।

এদিকে বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া কুশিয়ারা, যাদুকাটা, বৗলাই, রক্তি নদীসহ এ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ১৭ ও ১৮ জুন ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নদীর পানি আরো বাড়তে পারে।

এদিকে গত দুই দিন ধরে ঢলের পানিতে শহরের উকিলপাড়া, সাহেববাড়িঘাট, নবীনগর, কাজিরপয়েন্টসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সড়কগুলো তলিয়ে গিয়ে হাটু পানি দিয়ে চলাচল করতে দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষজন। এছাড়া জেলার তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সিলেটসহ সারাদেশের সঙ্গে এ অঞ্চলের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

তাহিরপুর- সুনামগঞ্জ সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সিলেটসহ সারাদেশের সঙ্গে এ অঞ্চলের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামসুদ্দোহা বলেন, সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ১৮১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়া ভারতের মেঘালয়, আসাম, চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় বন্যা বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার সকল নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে চলছে, আরো দুই এক দিন বন্যার পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে  এবং সকলকে সতর্ক করে বলেন ঝড় বৃষ্টির মধ্যে ছোট নৌকা দিয়ে চলাফেরা না করা এবং অযথা বাহিরে না যাওয়া। তিনি আরো বলেন সরকারের পাশাপাশি দানবীর ব্যক্তিরা পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করে জানান।