[gtranslate]

সিলেট সিটি করপোরেশনে সাংবাদিক মিছলুকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় ২২নং ওয়ার্ডবাসী


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৮, ২০২৩, ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ / ২৩
সিলেট সিটি করপোরেশনে সাংবাদিক মিছলুকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় ২২নং ওয়ার্ডবাসী

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট সিটি করপোরেশনের আগামী নির্বাচনে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবক,মেসার্স ফোর স্টার কারুকাজ ফার্ণিশিং এর স্বত্বাধিকারী ও চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সিলেট শাখা ও সিলেট বিভাগীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উপশহর ব্যবসায়ী সমিতি ইএফ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলুকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় ওয়ার্ডবাসী। স্থানীয়রা জানান, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের অসহায়, হতদরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের বন্ধু এবং সুখে-দুঃখে যাকে কাছে পাওয়া যায় তিনি হলেন সাংবাদিক মিছলু। করোনা মহামারীর সময় মানুষ যখন গৃহবন্দি তখন মিছলু উপশহরের মানুষকে করোনা থেকে নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন রোড ও বাসাবাড়িতে জীবাণু নাশক স্প্রে, পয়েন্টে পয়েন্টে হাত ধোয়ার জন্য পানির ড্রাম, সাবান দিয়ে সেবা করেছেন। এছাড়াও ফোনের মাধ্যমে পরিচয় গোপন রেখে রাতের অন্ধকারে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন অসহায় মানুষকে। মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়ে “বিপদের বন্ধু হিসেবে খ্যাতিও অর্জন করা মিছলু এবার জনগণের বন্ধু” সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এই সংগ্রামী কলম সৈনিক ও সমাজসেবক জনগণের বন্ধু মিছলুকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ জনগণ ও কলম সৈনিক জনগোষ্ঠী। সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু গরিব, দুঃখী মানুষের পছন্দের ব্যক্তি। তিনি সব সময় উপকার করে থাকেন। সামাজিক কর্মকাণ্ডে সব সময় পাওয়া যায়। সুখে-দুঃখে জনগণের খোঁজখবর রাখা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত পাওয়া যায়। আগামী নির্বাচনে মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করেন। এ বিষয়ে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সৈয়দ মুহিবুর রহমান মিছলু বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের একজন ক্ষুদ্র মানুষ হিসেবে সবসময় জনগণের পাশে থেকে সুখে-দুঃখে তাদের সেবা করার চেষ্টা করছি। বিশ্ব মহামারি করোনা সংকটকালীন সময় উপশহরের সর্বস্তরের জনগণের পাশে ছিলাম। এলাকার ভোটার ও জনগণের জোর দাবিতে এলাকার উন্নয়নের কথা চিন্তা করে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে নির্বাচন করার চিন্তা করেছি। ছোটবেলা থেকেই শাহজালাল উপশহর এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে তাদের সেবা করে আসছি। আরো বেশি করে সেবা করার সুযোগ করে দিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।