[gtranslate]

সিলেটি মেয়ে তসিবা এখন সবার প্রিয়


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ১৯, ২০২৩, ৪:৫৩ পূর্বাহ্ণ / ৩৩
সিলেটি মেয়ে তসিবা এখন সবার প্রিয়

স্টাফ রিপোর্টারঃ মাহমুদুল হাসান নাঈম

সিলেটি মেয়ে তসিবা ২০২০ সালে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় ‘নয়া দামান’ গান দিয়ে সকলের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। এরপর ২০২১ সালে ইত্যাদি’তে ডাক পেয়ে সেখানে ‘আমি পালংক সাজাইলাম গো’ গান গেয়ে নিজেকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি । এরই মধ্যে ‘সিলেটি পুরী’, ‘সুন্দর মানুষ’ ও ‘নয়া কন্যা’” সহ আরও জনপ্রিয় গান তিনি তার ভক্তদের উপহার দিয়েছেন। সর্বশেষ ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ‘চেংরা বন্ধু’, “পাখি”, ” পিরিতের নাও,” শিারোনামের একটি গান তার প্রকাশ হয়েছে। বর্তমানে তিনি স্টেজ শোর পাশাপাশি নিয়মিত নতুন নতুন গানে কণ্ঠ দিচ্ছেন। তসিবার আজকের এ জায়গায় আসতে সময় লেগেছে ১৪ বছর। তাহার কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বয়স যখন ৮ বছর তখন থেকেই আমি গান করছি এবং ‘ক্ষুদে গানরাজ’সহ কয়েকটি প্রতিযোগিতায়ও অংশগ্রহণ করেছি। কিন্তু সেভাবে কোনো জায়গা করে নিতে পারিনি। এরপর যখন টিকটক আসে তখন আমি এটাকে খুব পজেটিভভাবে নিই। এই অ্যাপসে নিয়মিত দুই-এক লাইন গান করতাম। একইভাবে টিকটকে ‘নয়া দামান’ গানটিও করি। এরপর আমেরিকা প্রবাসী মুজা গানটি দেখে ইনস্ট্রাগ্রামে আমাকে গানটি করার প্রস্তাব দেয়। এরপর আমরা তিনদিনেই পুরো গানটির কাজ শেষ করে রিলিজ করি। টিকটকের মাধ্যমেই গানটি সবার কাছে পৌঁছে যায়। প্রথম দিন তেমন সাড়া না পেলেও দুই দিন পর সবার কাছে গানটি সাড়া পায় এবং এক সপ্তাহে গানটির চার মিলিয়ন ভিউ হয়। এভাবেই গানটি আজকের এ জায়গা দখল করে নিল।’ ‘সিলেটি পুরী’ খ্যাত এ গায়িকা আজকের অবস্থানের জন্য ইত্যাদির কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, ইত্যাদির মাধ্যমেই আমি আমার জায়গা আরও বেশি দৃঢ় করতে পেরেছি। এত অল্প সময়ে হানিফ সংকেত স্যার আমাকে ডাকবেন কখনো চিন্তা করিনি। তবে এরজন্য আমাদের সিলেটের জনপ্রিয় শিল্পী সেলিম চৌধুরীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ । তিনিই হানিফ সংকেত স্যারকে আমার নাম্বারটি দিয়েছেন। গেল কয়েক বছর সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যে কজন শিল্পী ভাইরাল বা পরিচিতি পেয়েছেন তাদের অনেকেই হারিয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে তসিবা লম্বা জার্নির জন্য কি পরিকল্পনা করছেন? তিনি বলেন, আমি নিজেকে ভাইরাল শিল্পী বলব না। এটা আমার দীর্ঘ সময়ের ফল। আট বছর বয়স থেকেই তো গান করছি। আমার এতদিনের পরিশ্রমের ফল ২০২০ সালে পেয়েছি। আর শেখার তো শেষ নেই। আমি এখনো গানের বেসিক অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করছি। নিয়মিত ভালো কথা ও সুরের গান করার চেষ্টা করছি। ভাইরাল হবার এমন কোনো ইচ্ছে নেই। এখন শুধু ভালো গান করাই টার্গেট। আর যারা হারিয়ে গেছে তারা হয়তো সেভাবে নিজেকে ধরে রাখতে না পারার কারণেই হারাল। এছাড়া সাপোর্টের একটা বিষয় থাকে। আমার ‘নয়া দামান’ জনপ্রিয় হওয়ার পর আমিও কিছুটা ভেঙ্গে যাই। অনেকের কাছ থেকে নানা রকম প্রশ্নের মুখে পড়ি। কিন্তু আমার পরিবারের সাপোর্ট, আত্মীয়স্বজনদের সাপোর্টের কারনে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।’ অডিও গানের বাইরে এ কণ্ঠশিল্পী এরমধ্যে প্লেব্যাক করেছেন। মিজানুর রহমান লাবুর ‘আমার অরণ্য’ শিরোমানের একটি সিনেমায় কণ্ঠ দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।