[gtranslate]

শিক্ষার্থীদের পুলিশের মারধর, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তা : বিএমএসএস’র নিন্দা


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৩, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ / ২৮
শিক্ষার্থীদের পুলিশের মারধর, ভিডিও করায় সাংবাদিককে হেনস্তা : বিএমএসএস’র নিন্দা

স্টাফ রিপোর্টার :

 রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় শিক্ষার্থীদের মারধরের ছবি ও ভিডিও ধারণ করায় এক সাংবাদিককে হেনস্তা করেছে পুলিশ। রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ওই সাংবাদিককে ধরে গাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। পরে অন্য সাংবাদিকরা বাধা দিলে তাকে ছেড়ে দিয়ে তোপের মুখে পালিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক লতিফ রানা জানান, ভুক্তভোগী ঢাকা মেইলের অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক খলিলুর রহমান স্টালিন পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ সম্মেলন শেষে বের হচ্ছিলেন। ওই সময় পুলিশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে গাড়িতে তুলছিল। পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে খলিল মোবাইল ফোনে এ ঘটনার ছবি তুলছিলেন এবং ভিডিও ধারণ করছিলেন। এসময় পেছন থেকে এক পুলিশ সদস্য তার গলা ধরে আইডি কার্ড ও মোবাইল কেড়ে নেন। তিনি জানান, খলিল নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও সেই পুলিশ সদস্য কোনো কথা না শুনে তাকে গাড়িতে তোলেন। খলিলকে গাড়িতে তোলার সময় সংবাদ সম্মেলন শেষে সেই রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বিশেষ প্রতিনিধি এনামুল কবীর রূপম। এসময় তিনি পুলিশকে বাধা দেন। পরে খলিলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্যরা। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত সটকে পড়েন তারা। ভুক্তভোগী সাংবাদিক খলিলুর রহমান জানান, পুলিশকে পরিচয় দেওয়ার পরও তারা শোনেনি। তাকে কলার ধরে মারধরের পর জোর করে গাড়িতে তোলা হয়। ওই সময় দুই সিনিয়র সাংবাদিকের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্ত হন। এ বিষয়ে ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, আমি এখনো বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। ঘটনা জেনে সতত্যা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ হীন ঘটনায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মল্লিক, মহাসচিব মো: সুমন সরদার রাজশাহী বিভাগীয় সভাপতি জুয়েল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম , প্রচার সম্পাদক আল আমিন স্বাধীন , সহ সকল কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া সংশ্লিষ্ট থানার এসআই এর বিষয়ে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।