[gtranslate]

লিয়াকত ও প্রদীপ কুমা’রের খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : আগস্ট ৮, ২০২২, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ / ৩২
লিয়াকত ও প্রদীপ কুমা’রের খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল

 

শায়লা করিম শর্মী, মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মোহা’ম্ম’দ রাশেদ খান হ’ত্যা মা’মলার মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশ, বাহারছড়া পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেছেন। ম’ঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গু”প্ত বি’ষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নিম্ন আ’দালতের ফাসির আদেশ থেকে খালাস চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করা হয়েছে। গতকাল সোমবার আপিলটি ফাইল করা হয়েছে। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাশেদ খান হ’ত্যা মা’মলায় আ’সামি প্রদীপ কুমা’র দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃ’ত্যুদ’ণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফেরেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। তিনি জনান, আবেদনে আমর’া বলেছি বিচারিক আ’দালত তার বিরু’দ্ধে যে রায় দিয়েছেন তা তাড়াহুড়ো করে দিয়েছেন। তার বিরু’দ্ধে সুষ্ঠু বিচার বিশ্লেষণ করে হয়নি। আমা’দের আপিলটি শুনানি করে বিচারিক আ’দালতের রায় বাতিল করার আর্জি জানিয়েছি।

গত ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজারের জে’লা ও দায়রা জজ মোহা’ম্ম’দ ইসমাইল ৩০০ পৃষ্ঠার রায়ের সারসং’ক্ষেপ পড়া শেষে পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী এবং টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমা’র দাশকে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। রায় পড়ার সময় বিচারক বলেন, সিনহার পরিচয় জানার পর স্যালুট দিয়েছিলেন চেকপোস্টে থাকা সদস্যরা। এর একটু পর তাঁরাই কেন আবার গু’লি করতে সহযোগিতা করলেন? এই হ’ত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত।

এ মা’মলায় আ’দালত লিয়াকত ও প্রদীপ কুমা’রের মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন এবং ৬ জনকে যাব’জ্জীবন ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। বাকি সাত আ’সামিকে খালাস দেন। পরে প্রদীপ ও লিয়াকতকে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা’গারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে গাজীপুর কাশিমপুরে আনা হয়েছে।কাশিমপুর কারা’গারের হাইসিকিউরিটি পার্ট-৪ এর কনডেম সেলে তাদের রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজে’লার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পু’লিশের গু’লিতে নি’হত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রা’প্ত মেজর সিনহা মোহা’ম্ম’দ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পু’লিশ বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি এবং রামু থানায় একটি মা’মলা দায়ের করেন। কিন্তু ৫ আগস্ট নি’হত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদি হয়ে ৯ পু’লিশ সদস্যের বিরু’দ্ধে কক্সবাজার আ’দালতে মা’মলা দায়ের করেন। মা’মলাটি টেকনাফ থানায় নথিভূক্ত করার পর আ’দালত ত’দন্তভার দেন র‌্যাব’কে।