[gtranslate]

রাস্তার কাজের ২ দিন পরই হাত দিয়ে তোলা যাচ্ছে পিচ, কাজের মান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৩, ২০২৩, ৫:৪০ অপরাহ্ণ / ২৩
রাস্তার কাজের ২ দিন পরই হাত দিয়ে তোলা যাচ্ছে পিচ, কাজের মান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন

মো: জাহাঙ্গীর আলম,  স্টাফ রিপোর্টার

 রাস্তা নিয়ে কষ্ট যেন ভুলবার মতো নয়। রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়া ও খানা খন্দকের কারণে রয়েছে বহু ইতিহাস ঘটেছে বহু দুর্ঘটনা। পুঠিয়া দুর্গাপুর এই দুই এলাকার মানুষ খুব ভালো করে জানে রাস্তার ভাঙ্গন কতটা ভোগান্তি দিতে পারে। এই দুই এলাকার মধ্যে একটা সময় রাস্তার ভাঙ্গন এত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে কোন ডেলিভারির রোগীকে নিয়ে যাওয়ার সময় ভাঙ্গন, ও খানা খন্দকের কারণে গাড়ির মধ্যে বাচ্চা প্রসব করতে দেখা গেছে। বর্তমানে এই ভোগান্তি আর নেই কিন্তু রাস্তা তৈরি করা হয়েছে কোথায় কোথাও খুবই নিম্নমানের। যেখানে হাত দিয়েই তোলা যাচ্ছে পিচ ঢালাই রাস্তার পিচ। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে হাত দিয়ে যখন পিচ উঠে যাচ্ছে কতটা টেকসই হবে এই রাস্তা।  সম্প্রতি দুর্গাপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ থেকে আনুলিয়া পর্যন্ত পিচ ঢালাই কাজের শেষ করা হয়েছে। মানুষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এর সত্যতা। মোহনগঞ্জ থেকে আনুলিয়া এর মধ্যে বেশ কয়েক জায়গায় এমনভাবে এমনভাবে পিচ দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে তাতে হাত লাগালেই উঠে যাচ্ছে সেই ঢালাই। এখন মানুষের প্রশ্ন এই রাস্তা কত দিন যাবে।জানাযায় যে, ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকায় রাজশাহীর পবার ওয়াসিমুল হক নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই কাজ পায়। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও ঠিকাদারি ওই প্রতিষ্ঠান কাজটি সম্পন্ন করতে পারেনি। পরে অতিরিক্ত আরো অনেক সময় পরে, কাজটি করার পরও কাজের মান নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এ নিয়ে এলাকাবাসীদের সাথে কথা হলে খুব ঝাড়েন সংশ্লিষ্টদের ওপর। আবার অনেকেই সংশ্লিষ্টদের ভয়ে মুখ খুলতেও সাহস পায়নি।

 ঐ এলাকার সাধারণ মানুষদের একটাই দাবি খুব দ্রুত রাস্তায় আবার কাজ করে, টেকসই ও কার্যকরী কাজ করার আহ্বান জানান তারা। মোহনগঞ্জ থেকে আনুলিয়া পর্যন্ত এই রাস্তার কাজ খুব দ্রুত বর্ষা আসার আগে সংস্কার যান ওই এলাকার মানুষেরা। তা না হলে আবারও ভুগতে হবে ওই এলাকার মানুষদের। এক প্রশ্নের জবাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হোসেন আলী তিনি বলেন, সেখান থেকে কাজ করে সকল সরঞ্জাম নিয়ে আমরা অন্য এক জায়গায় কাজের জন্য পাঠিয়েছি। সেজন্য ওই রাস্তায় কোন সরঞ্জাম নেই। এদিকে রাস্তা ভাঙ্গাচুরা খানাখন্দকের কারণে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছিল পুঠিয়া দুর্গাপুরের মানুষের। পরে পুঠিয়া দুর্গাপুরের এমপি প্রফেসর ডাক্তার মনসুর রহমানের হস্তক্ষেপে ভাঙ্গা খানাখন্দ রাস্তা থেকে মুক্তি পায় ওই এলাকার জনগণ। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার হোসেন তিনি বলেন, আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি রোজার মধ্যে আরো কাজ করা হবে। কাজের মান খারাপ নয় আমাদের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। আমাদের জামানতের টাকা তাদের কাছে পড়ে আছে। এক বছর এর মধ্যে রাস্তা নষ্ট হলে আমাদের করে দিতে হবে। আমরা কাজ শেষ না করে টাকা তুলতেও পারবো না।এ বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মাসুক-ই-মোহাম্মদ দুর্গাপুর উপজেলা প্রকৌশলী তিনি বলেন, এই বিষয়ে আমি জানি। ওরা এখনো কাজ করছে কাজ শেষ করার পরেই টাকা পাবে। উল্লেখ্য যে, ঐ এলাকার মানুষেরা চরম চিন্তার মধ্যে আছে যে এই কাজগুলো আদৌ শেষ করা হবে কিনা বলে। তবে রমজান মাসের আগে উপরোক্ত ওই রাস্তার কাজ করে সকল সরঞ্জাম নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। এখন বলছেন রাস্তার কাজ শেষ হয়নি, আমরা আবার কাজ করব।