[gtranslate]

রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি বা অবৈধ ব্যাবহারের মদদ দাতা সরকারি চাকুরেরাই! 


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ২৫, ২০২৩, ২:৩৭ অপরাহ্ণ / ২৯
রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি বা অবৈধ ব্যাবহারের মদদ দাতা সরকারি চাকুরেরাই! 

মোঃ আঃ রহিম জয়, নিজস্ব প্রতিনিধি:-

বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও রাজউক কর্তৃপক্ষকে দেয়া লিখিত অভিযোগের কোন সুরাহা, ফলাফল কিংবা যে কোন সুষ্ঠু ও নিয়মতান্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ তো দূরের কথা বরং খবর নিতে গেলে অনর্থক অপব্যবহার, ঠাট্টা ও হয়রানির শিকার হতে হয় অহরহ। রাজউক যেন অবিশ্বাস্য অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়ার কেন্দ্রবিন্দু। খবরে প্রকাশ,রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় অবৈধ পাঁচটি ভবন সুষ্ঠু পরিদর্শন সাপেক্ষে “ঢাকা ইমারত বিধিমালা ২০০৮” অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে রাজউকে অভিযোগ করেছিল “গিনেস সোসাইটি” নামের সামাজিক ও মানবিক একটি সংগঠন। প্রথম অবস্থায় অভিযোগটি রাজউক ভবনের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) বরাবর ০২/০৬/২০২১ ইংরেজি তারিখে প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে বহুদিন পেরিয়ে গেলেও কোন প্রতিকার বা সদুত্তর না পেলে উক্ত অভিযোগের অনুলিপি দেওয়া হয় দুদক প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান বরাবর ১৮/০১/২০২২ ইংরেজি তারিখে। এতেও কোন ফলাফল না পেলে পুনরায় অভিযোগটি সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) রাজউক ভবন এবং দুদক প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান বরাবর অনুলিপি জমা করা হয় ১৩/০৩/২০২২ ইংরেজি তারিখে। সেই থেকে আজ অবধি উক্ত অভিযোগ পত্র গুলো প্রতিকারহীন ভাবে কার কাছে কি অবস্থায় আছে এবং এমন অব্যবস্থাপনার কারণই বা কি এসবের কোন উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়নি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো অভিযোগ পত্রটিতে “ঢাকা ইমারত বিধি মালা ২০০৮” এর বিধি ২৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সহ বিধি ৩৭ এর সকল উপবিধি সমূহ পর্যায়ক্রমে সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ভবন সমূহের আবেদনকারী ও দায়ী পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, প্রকৌশলী ও জমির আইনগত মালিক প্রত্যেকের বিরুদ্ধে গৃহীত শাস্তি মূলক ব্যবস্থা ও পদক্ষেপ তাদের পরিচিতি সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের লক্ষ্যে তালিকা আকারে প্রদান সহ সহযোগিতা ও অনুমতি চাওয়া হয় জাতীয় স্বার্থে, এবং রাষ্ট্রীয় কল্যাণ কামনায় সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের সনাক্তকরণ সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির লক্ষ্যে। এই প্রসঙ্গে উক্ত অভিযোগকারী সংগঠন “গীনেস সোসাইটি”র মহাসচিব গণমাধ্যমকে জানান,আমরা বারবার অভিযোগ করে এবং বারবার প্রতিনিধি পাঠিয়েও কোন সদুত্তর পাইনি। ফাইলপত্রগুলো সর্বশেষ কোথায় কার কাছে কি অবস্থায় আছে সেটাও যেন তারা খুঁজতে বা বলতে বিরক্ত বোধ করে। অনেকেই অনেকবার আপত্তিকর ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। তাদের পরিচয় আপাতত নাইবা বললাম!কিন্তু এভাবে আজব ও উদ্ভট আকারে ফাইল চাপা পড়ে থাকা অভিযোগ সমূহের প্রতিকার কি এটা জাতিকে অবশ্যই জানাতে হবে।  তিনি আরও বলেন,রাজউকের সরকারি চাকুরেদের দাপটের সাথে রাষ্ট্রীয় আইন অবমাননার রহস্য কি? তাছাড়া কোন কোন পদের কর্মকর্তা – কর্মচারীরা কোথায় কোথায় বসেন তাদের মোবাইল নাম্বার সহ নামের তালিকাও যথাস্থানে খুঁজে পাওয়া যায় না । বছরের পর বছর ধরে এসব অবৈধ ভবনে ইউটিলিটি সার্ভিস সমূহ কিভাবে চালু আছে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জেনেও না জানার ভান করে কিসের স্বার্থে? নিঃসন্দেহে এমন ঘটনা রাজউক, তিতাস,বিদ্যুৎ ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব এবং পালিত শক্তিধর দুর্নীতিবাজদের সাথে ভবন মালিকদের অনৈতিক সখ্যতা ছাড়া হতেই পারে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অবৈধ ব্যবহার বা চুরির মদদ দাতা সরকারি চাকুরেরাই ! এটাও কি করে মেনে নিতে পারি আমরা? এমন ঘটনা অবশ্যই বিরাট আপত্তিকর,মানবাধিকার লঙ্ঘন এমনকি পুকুর চুরিতো বটেই! আমি গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে এদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এরা দেশ ও জাতির কলংক এবং ভয়ানক শত্রু!এদের সকলের বিরুদ্ধে জরুরি ভাবে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে রাজউক চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। উক্ত অভিযোগ পত্রে যে যে ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে তা নিম্নে বর্ণিত হলো, ১)” সাইমুন মঞ্জিল”, প্রযত্নে — মোহাম্মদ হানিফ। হোল্ডিং- ১০৭, হাজ্বী মোজাফফর রোড,মোল্লারটেক ,দক্ষিণ খান,  ঢাকা। ২)হোল্ডিং -১০৯,হাজী মোজাফফর রোড, মোল্লারটেক, দক্ষিণখান, ঢাকা। ৩)”শৈলী ভিলা”,মালিক- মোঃ রেজাউল করিম,দাগ -২৮৪, বাসা- ১৫,পূর্ব মোল্লার টেক, (তেতুলতলা বেকারী) মুক্তিযোদ্ধা স্মরণী রোড ,দক্ষিনখান ,ঢাকা ১২৩০। ৪)”পাটোয়ারী কটেজ” বাড়ি-১৯৬/৩,বায়তুল মামুর জামে মসজিদ রোড, উত্তর গাওয়াইর,দক্ষিনখান,ঢাকা-১২৩০। ৫)মালিক-আব্দুর রশিদ গং,,বাড়ি-০৪,ওয়ার্ড নং-১,নগর বাড়ি রোড,নগর বাড়ি,দক্ষিণখান,ঢাকা। মোঃ আঃ রহিম জয়,  সাংবাদিক মানবাধিকার কর্মী,  মোবাইল – ০১৭৫৯৬০৭৩৭৯, দক্ষিণখান,ঢাকা। তাং ২৫/০৩/২০২৩ ইংরেজি