[gtranslate]

রাজশাহীতে ৮টি জেলা, আওয়ামী-৬৯, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৯


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১২, ২০২১, ৫:৪২ অপরাহ্ণ / ২৭৮
রাজশাহীতে ৮টি জেলা, আওয়ামী-৬৯, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৯

 

নিউজ ডেস্ক:

রাজশাহী: দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলার ১৩টি উপজেলার ১১০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ১০৮টিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৬৯টিতে,  বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৯  প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ২টি স্থগিত  রাখা হয়েছে।

জয়পুরহাট

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ছয় জন আওয়ামী লীগ মনোনীত এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ীরা হলেন- ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউপিতে আনোয়ারুজ্জামান তালুকদার (নৌকা) মামুদপুর ইউপিতে মশিউর রহমান শামীম (নৌকা) আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউপিতে ডিএম রাহেল ইমাম (নৌকা) রায়কালী ইউপিতে আব্দুর রশীদ মণ্ডল (নৌকা), তিলকপুর ইউপিতে সেলিম মাহবুব সজল, রুকিন্দিপুর ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আহসান কবির এপ্লব (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোপীনাথপুর ইউপিতে হাবিবুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বগুড়া

দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বগুড়ার শিবগঞ্জ এবং শেরপুর উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে, শিবগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে একটি ইউনিয়নের ভোট গণনায় জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় ১০টি ইউনিয়নের বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলার ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ৬ জন, স্বতন্ত্র ২ জন এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী-৩,

এই ইউনিয়নগুলোর আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যানরা হলেন- কিচক ইউনিয়নে এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, বিহার ইউনিয়নে মহিদুল ইসলাম, বুড়িগঞ্জ ইউনিয়নে রেজাউল করিম চঞ্চল, দেউলী ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলাম টাকো, শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নে শহিদ ইসলাম শহিদ।

নির্বাচিত আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন – আটমূল ইউনিয়নে বেলাল হোসেন, ময়দানহাট্টা ইউনিয়নে আবু জাফর মণ্ডল, পিরব ইউনিয়নে আসিফ মাহমুদ মিলটন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন – রায়নগর ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম শফি ও মাঝিহট্ট ইউনিয়নে এসকেন্দার আলী সাহানা।

এ ছাড়া সৈয়দপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মোত্তালিব এগিয়ে থাকলেও একটি কেন্দ্রে ভোট গণনায় জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় ওই কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে শেরপুর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে, উপজেলার ৯ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত চার জন, স্বতন্ত্র চার জন এবং একজন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।

আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- খামারকান্দি ইউনিয়নের আব্দুল মোমিন মহসিন, সুঘাট ইউনিয়নে মনিরুজ্জামান জিন্নাহ, সীমাবাড়ী ইউনিয়নে গৌরদাস রায় চৌধুরী ও ভবানীপুর ইউনিয়নে এসএম আবুল কালাম আজাদ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- কুসুম্বী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ শাহ আলম পান্না, মির্জাপুর ইউনিয়নে আলহাজ জাহিদুল ইসলাম, খানপুর ইউনিয়নে পিয়ার উদ্দিন ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে কাজী আবুল কালাম আজাদ। বিশালপুর ইউনিয়ন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাকির হোসেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সরকারিভাবে ৬টি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। আর বাকি দুটি ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। জয়ী স্বতন্ত্র ৬ প্রার্থীর প্রতীক ছিল আনারস।

গোমস্তাপুর ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী জামাল উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৬০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল রাইহান পেয়েছেন ৭ হাজার ৯২২ ভোট।

আলীনগর ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কাশেম মাসুম ৩ হাজার ৮৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত চশমা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সরফরাজ নেওয়াজ সুজন পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৫ ভোট।

রহনপুর ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ওবাইদুর রহমান চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯০৩ ভোট।

বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের বিএনপি সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ৯ হাজার ৩৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাদেরুল ইসলাম পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৩৩ ভোট।

বোয়ালিয়া ইউনিয়নে ৯ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শামিউল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী জিল্লুর রহমান লালু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৪৯ ভোট।

চৌডালা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া হাবিব আনারস প্রতীকে ৮ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনসারুল হক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ১৮১ ভোট।

পার্বতীপুর ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন ১১ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত আলী খান পেয়েছেন ১০ হাজার ৬৬৪ ভোট।

রাধানগর ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিউর রহমান ১৩ হাজার ৬৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মামুনুর রশিদ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৪১ ভোট।

নওগাঁ

দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে নওগাঁয় নৌকা প্রতীকের ১১ জন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ছয়জন ও স্বতন্ত্র তিনজন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, নওগাঁ সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ছয়জন, বিদ্রোহী চারজন এবং স্বতন্ত্র দুইজন বিজয়ীয় হয়েছেন। এদের মধ্যে চন্ডিপুর ইউনিয়নে খুরশিদ আলম রুবেল (নৌকা), বর্ষাইল ইউনিয়নে সহিদুল ইসলাম (নৌকা), শিকারপুর ইউনিয়নে কাজী রুকুনুজ্জামান টুকু (নৌকা), বোয়ালিয়া ইউনিয়নে আফেলাতুন নেছা (নৌকা), তিলোকপুর ইউনিয়নে রেজাউল করিম (নৌকা), বলিহার ইউনিয়নে মাসরেফুর রায়হান মাহিন (নৌকা); কীর্ত্তিপুর ইউনিয়নে নাজমুল হক হান্নান (বিদ্রোহী), হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়নে জসিম উদ্দিন (বিদ্রোহী), শৈলগাছী ইউনিয়নে মোয়াজ্জেম হোসেন (বিদ্রোহী) এবং দুবলহাটি ইউনিয়নে আজম শাহ (বিদ্রোহী); হাঁপানিয়া ইউনিয়নে দেওয়ান মোস্তাক আহম্মেদ রাজা (স্বতন্ত্র) ও বক্তারপুর ইউনিয়নে সারোয়ার কামাল চঞ্চল (স্বতন্ত্র) নির্বাচিত হয়েছেন।

অপরদিকে রানীনগর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নের নির্বাচনে নৌকা পাঁচজন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী দুইজন ও স্বতন্ত্র একজন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। এদের মধ্যে খট্টেশ্বর ইউনিয়নে চন্দনা শারমিন রুমকি (নৌকা), মিরাট ইউনিয়নে হাফেজ জিয়াউর রহমান (নৌকা), গোনা ইউনিয়নে আব্দুল খালেক (নৌকা), বরগাছা ইউনিয়নে আব্দুল মতিন (নৌকা), একডালা ইউনিয়নে শাহজাহান আলী (নৌকা); কালীগ্রাম ইউনিয়নে আব্দুল ওয়াহাব চাঁন (বিদ্রোহী) ও কাশিমপুর ইউনিয়নে মকলেছুর রহমান বাবু (বিদ্রোহী); পারইল ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (স্বতন্ত্র) নির্বাচিত হয়েছেন।

পাবনা

দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাবনার সুজানগর উপজেলার দশটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আটটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী ও দুই জন বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী হাটখালী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের ফিরোজ আহম্মেদ খান ৭৫৫৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) ঘোড়া প্রতীকের আজাহার আলী শেখ পেয়েছেন ৬৫৫৫ ভোট। আর নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রউফ তৃতীয় স্থানে থেকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৭ ভোট।

সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকের আবুল হোসেন ৯০৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এস এম শামসুল আলম পেয়েছেন ৬৫৭৬ ভোট।

মানিকহাট ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শফিউল ইসলাম ১৪৩৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) আনারস প্রতীকের আব্বাস আলী মল্লিক পেয়েছেন ৪৬৯০ ভোট।

তাঁতীবন্দ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল মতিন মৃধা ৬৪৮২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ৫০৫০ ভোট।

ভায়না ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আমিন উদ্দিন ৬৫৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৪২২৯ ভোট।

দুলাই ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ৭০৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আপন ভাতিজা সাইদুর রহমান সাইদ পেয়েছেন ৬৪৮৩ ভোট।

সাগরকান্দি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহিন চৌধুরী ১৩৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ তৈয়ব আলী শেখ পেয়েছেন ৩৫২৮ ভোট।

নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মশিউর রহমান ৫৯৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকের নুর মোহাম্মদ পেয়েছেন ২৯৩৭ ভোট।

আহম্মদপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়া ৭৫৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আপন ভাতিজা আনারস প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুর রহমান হিরা পেয়েছেন ৬০১০ ভোট।

রানীনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এইচ এম পিযুষ ৭৩৮৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ আলী বিশ্বাস পেয়েছেন ২৪৪৯ ভোট।

নাটোর

দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে নাটোর সদরের ৭টি এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

নাটোর সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে যারা চেয়ারম্যান হয়েছে তারা হলেন- তেবাড়িয়া ইউনিয়নে ওমর আলী প্রধান (নৌকা), কাফুরিয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম (স্বতন্ত্র), হালসা ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম (নৌকা বিদ্রোহী), ছাতনী ইউনিয়নে তোফাজ্জল হোসেন সরকার (নৌকা), দিঘাপতিয়া ইউনিয়নে শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ (নৌকা), বড়হরিশপুর ইউনিয়নে ওসমান গণী ভুঁইয়া (নৌকা) এবং লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া নুরুজ্জামান কালু (নৌকা বিদ্রোহী।

এ ছাড়া বড়াইগ্রাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে যারা ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তারা হচ্ছেন- চান্দাই ইউনিয়নে শাহনাজ পারভীন (নৌকা), জোনাইল ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ (নৌকা বিদ্রোহী), নগর ইউনিয়নে মস্তফা শামসুজোহা সাহেব (নৌকা বিদ্রোহী), বড়াইগ্রাম ইউনিয়নে মোমিন আলী (নৌকা) এবং গোপালপুর ইউনিয়নে আবু বক্কর সিদ্দিক (নৌকা)।

রাজশাহী

রাজশাহীর তানোর উপজেলার ৭টি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার ৯টিসহ মোট ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনে ১৪টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। দুই উপজেলার বাকি দুটি ইউনিয়নে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী- ১৪টির মধ্যে ৯ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

নৌকা প্রতীকে বিজয়ীরা হলেন- তানোর উপজেলার চান্দুরিয়া ইউনিয়নে মজিবুর রহমান, পাঁচন্দর ইউনিয়নে আব্দুল মতিন, বাঁধাইর ইউনিয়নে আতাউর রহমান, কামারগাঁ ইউনিয়নে ফজলে রাব্বি ফরহাদ চৌধুরী, গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে বেলাল উদ্দিন সোহেল, গোগ্রাম ইউনিয়নেমজিবুর রহমান, পাকড়ি ইউনিয়নে জালাল উদ্দীন মাস্টার, মোহনপুর ইউনিয়নে খায়রুল ইসলাম এবং গোদাগাড়ী ইউনিয়নে মসিদুল গনি।

এছাড়া দুই উপজেলার ৫টিতে জয়লাভ করা স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহীরা হলেন- তানোর উপজেলার কলমা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী (চশমা প্রতীক) খাদেমুন নবী বাবু চৌধুরী, তালন্দ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী (আনারস প্রতীক) নাজিম উদ্দিন বাবু, গোদাগাড়ী উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নে সোহেল রানা (মোটর সাইকেল প্রতীক), বাসদেবপুর ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম (মোটরসাইকেল প্রতীক) এবং রিশিকুল ইউনিয়নে মোখলেছুর রহমান (অটোরিকশা প্রতীক)। এছাড়া তানোরের সরনজাই ইউনিয়ন এবং গোদাগাড়ীর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতা ও ব্যালট ছিনতাইয়ের কারলেণ নির্বাচন স্থাগিত রয়েছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর)সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত রাজশাহীর দুই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। এর মধ্যে ১৪টিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ সদর ও রায়গঞ্জ উপজেলায় ১৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ১৬ জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১ জন বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নাটোর

দ্বিতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে নাটোর সদরের ৭টি এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

নাটোর সদর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে যারা চেয়ারম্যান হয়েছে তারা হলেন- তেবাড়িয়া ইউনিয়নে ওমর আলী প্রধান (নৌকা), কাফুরিয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম (স্বতন্ত্র), হালসা ইউনিয়নে শফিকুল ইসলাম (নৌকা বিদ্রোহী), ছাতনী ইউনিয়নে তোফাজ্জল হোসেন সরকার (নৌকা), দিঘাপতিয়া ইউনিয়নে শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ (নৌকা), বড়হরিশপুর ইউনিয়নে ওসমান গণী ভুঁইয়া (নৌকা) এবং লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়িয়া নুরুজ্জামান কালু (নৌকা বিদ্রোহী।

এ ছাড়া বড়াইগ্রাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে যারা ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তারা হচ্ছেন- চান্দাই ইউনিয়নে শাহনাজ পারভীন (নৌকা), জোনাইল ইউনিয়নে আবুল কালাম আজাদ (নৌকা বিদ্রোহী), নগর ইউনিয়নে মস্তফা শামসুজোহা সাহেব (নৌকা বিদ্রোহী), বড়াইগ্রাম ইউনিয়নে মোমিন আলী (নৌকা) এবং গোপালপুর ইউনিয়নে আবু বক্কর সিদ্দিক (নৌকা)।