[gtranslate]

রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানার মৃগী বাজারের পাশে নিখোঁজ হাবিবুর রহমান খানের লাশ পাওয়া গেছে।


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : জুলাই ২৩, ২০২২, ১:৩৭ অপরাহ্ণ / ৫৩
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থানার মৃগী বাজারের পাশে নিখোঁজ হাবিবুর রহমান খানের লাশ পাওয়া গেছে।

হামজা শেখ

তথ্যসুত্রে জানা যায় তিনি একজন গরুর ব্যাবসায়ী ৩ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন।

আজ তার লাশ পাওয়া গেছে।

নিখোজ হওয়াবস্তায় ১লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে গরু কিনার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলো।

অনেক খুজা-খুজি করার পরে আজকে তার মৃত লাশের সন্ধান মেলে।.

 

মারা যাওয়ার আগের বিস্তারিত তথ্যঃ

 

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের পূর্ব বাগদুলি গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমান খান (৬০) নামে একজন গরু ব্যবসায়ী গত (২১ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার সময় তার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। নিখোঁজের ৪৮ ঘন্টা পার হলেও সন্ধান মেলেনি এই ব্যবসায়ীর।

নিখোঁজ মোঃ হাবিবুর রহমান খান পূর্ব বাগদুলি গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিম খানের ছেলে।

তার পরিবারে রয়েছে স্ত্রী দুই কন্যা সহ এক ছেলে সন্তান, স্বামী নিখোঁজ হওয়ার সংবাদে প্রায় পাগল পার হয়ে পড়েছেন হাবিবুর রহমান খানের স্ত্রী নাজমা বেগম। সন্তানেরা রাস্তার দিকে তাকিয়ে আছে তার বাবা ফিরে আসবে বলে। কিন্তু নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পরেও বাবা ফিরে আসেনি বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার সন্তানেরা।

নিখোঁজ মোঃ হাবিবুর রহমান খানের ছেলে চাঁদ খান (২০) বলেন ঘটনার দিন সকাল সাত টার দিকে গরু কিনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে আমার বাবা বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে সে জেলার কালুখালী উপজেলার বড় পাতুরিয়া গ্রামে তার ধর্ম জামাই মোঃ মোকছেদ আলীর বাড়িতে যায়। সেখানে যাওয়ার পর সকাল ৯টায় একটি ফোন আসে। ফোন পেয়ে তড়িঘড়ি করে মোঃ মোকসেদ আলীর বাড়ি থেকে বের যায়। পরে আর তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। এরপর থেকে আমার বাবার ফোনও বন্ধ রয়েছে।

তখন আমরা আত্মীয় স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। এক পর্যায়ে তাকে খুঁজে না পেয়ে কালুখালী থানা পুলিশকে বিষয়টি জানাই। কালুখালী থানা পুলিশ এসে মৃগী বাজারের সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে। তবে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ মিঠুর দোকানের সামনে পাওয়া যায়। খোঁচাখুঁজি করে না পেয়ে গত ২২ শে জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় কালুখালী থানায় একটি জিডি করি।

এ বিষয়ে কালুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হাসান বলেন, ঘটনা শোনার পর তাকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তার পরিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে। ইতিমধ্যে তার পরিবারের কাছ থেকে তার ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে তদন্ত করে দেখছি সে কার কার সাথে যোগাযোগ করেছিল। আমরা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।