[gtranslate]

ময়মনসিংহে ৮৪ টি ইউপিতে আঃ.লীগ ৪৬টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৩


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৩, ২০২১, ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ / ১২৭
ময়মনসিংহে ৮৪ টি ইউপিতে আঃ.লীগ ৪৬টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৩

 

নিউজ ডেস্ক:

ময়মনসিংহ: দ্বিতীয় ধাপে ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলার ৮টি উপজেলার ৮৪টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৭৯টিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ৪৬টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৩৩ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ৫টি স্থগিত রাখা হয়েছে।

জামালপুর

জামালপুরে ১৫টি ইউপি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। এর মধ্য ৫টি ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হয়।

আর বাকী ১০ টি ইউনিয়নের নৌকার ৬টিতে নৌকা ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়।

কেন্দ‍ুয়া ইউনিয়নের সাইফুল ইসলাম খান আনারস প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ১৬৭, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি শেখ মাহাবুবুর রহমান (নৌকা) ৪ হাজার ৮৮৫।

শরীফপুর ইউনিয়নে আলম আলী নৌকা নিয়ে ১৬ হাজার ৯১৯ নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকতম প্রতিদ্বন্দি রফিকুল ইসলাম লিটন অটো-রিক্সা প্রতীকে ৪ হাজার ২৬৩ ভোট।

লক্ষীরচর ইউনিয়নে মনিরুজ্জামান আনারস প্রতিক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫ হাজার ৬২৫। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দি আফজাল হোসেন বিদ্যুৎ ৪ হাজার ৮৯৮।

তুলশিরচর ইউনিয়নে শহিদুল্লাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ০৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দি মমিনুল হক আনারস ৮ হাজার ৫০৪ ভোট।

নরুন্দি ইউনিয়নে লুৎফর রহমান নৌকা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৩২১ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দি মোঃ আলা উদ্দিন খান আলম মোটর সাইকেল ৫ হাজার ১০৩ ভোট।

ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে গোলাম কিবিরিয়া ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৬ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দি জিয়াউর রহমান তালুকদার আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯১ ভোট।

শ্রীপুর ইউনিয়নে মো আজিজুল হক নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ রফিক উল আলম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬০ ভোট।

শাহাবাজপুর ইউনিয়নে মো আইয়ুব আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ রফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ২৪৬ ভোট।

তিতপল্যা ইউনিয়নের মোঃ আজিজুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ২১৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি হারুনুর রশীদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৪৭ ভোট।

মেষ্টা ইউনিয়নে নাজমুল হক আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৩ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ এমদাদুলক ইসলাম খান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮৮ ভোট।

২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭ শত ৫৫ জন। যার মধ্যে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭ শত ৫৪ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৪ হজার ১ জন নারী । ১৩৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে সংরক্ষিত ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৫ টি।১৬৩ টি ভোট কেন্দ্রের মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ১০১২ টি। নির্বাচনে চেয়ার ম্যান পদে ১০ টি ইউনিয়নে ৪০ জন ভোটে অংশগ্রহন করে। বাকী ৫ টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ইউনিয়ন গুলো হলো রানাগাছা, দিগপাইত, ইটাইল, রশিদপুর, বাশচড়া ইউনিয়ন।

এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৪২ জন প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা পদে ১৮৪ জন প্রার্থী ভোটে অংশগ্রহন করে।

শেরপুর

শেরপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ১১ টিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৫ টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা এবং ৫ টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বিএনপিমনা প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এছাড়া কামারিয়া ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রের ফলাফল গোলযোগের কারণে স্থগিত থাকায় সেটির চেয়ারম্যান পদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে বেসরকারিভাবে ওই ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শানিয়াজ্জামান।

আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন লছমনপুর ইউনিয়নে আব্দুল হাই, রৌহা ইউনিয়নে সাইফুজ্জামান সোহেল, বলাইয়েরচর ইউনিয়নে মনিরুল আলম মনি, ভাতশালা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার ও চরপক্ষীমারী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আকবর আলী ও কামারিয়া ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান সরোয়ার জাহান। আর চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন চরশেরপুর ইউনিয়নে সেলিম রেজা (মোটরসাইকেল), বাজিতখিলা ইউনিয়নে বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল হাসান খুররম (আনারস), ধলা ইউনিয়নে বিএনপি নেতা জাকির হোসেন (আনারস), চরমোচারিয়া ইউনিয়নে যুবলীগ নেতা এস এম সাব্বির আহমেদ খোকন (আনারস) ও বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নে মো. মোশারফ হোসেন দুলাল (আনারস)।

এদিকে কামারিয়া ইউনিয়নের খুনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গোলযোগের কারণে ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। এ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সারোয়ার জাহান ১০ হাজার ৬৪৯ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকীর চেয়ে ৩২৬৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তবে স্থগিত কেন্দ্রের ভোট ৩৬৭০ হওয়ায় পুন:নির্বাচনের মাধ্যমেই ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।

এছাড়া এর আগে উপজেলার কামারেরচর ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিব, পাকুড়িয়া ইউপিতে আলহাজ্ব হায়দার আলী ও গাজীরখামার ইউপিতে আওলাদুল ইসলাম আওলাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হন।।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনটি উপজেলার ৩০টি ইউনিয়নের ফলাফলে আওয়ামী লীগ ১০টিতে এবং ১৭টিতে বিজয়ী হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পর গণনা শেষে রাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ‍্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ৮ ও স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে ফুলবাড়ীয়া ও ধোবাউড়া উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন।

এগুলো হল- ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল ও আছিম পাটুলী ইউনিয়ন এবং ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়ন।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১৩টি, হালুয়াঘাটের ১০টি এবং ধোবাউড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ীরা হলেন- ফুলবাড়িয়া উপজেলার দেওখোলা ইউনিয়নে তাজুল ইসলাম বাবলু, রাধাকানাই ইউপিতে গোলাম কিবরিয়া শিমুল তরফদার, ভবানীপুর ইউপিতে জবান আলী সরকার ও এনায়েতপুর ইউপিতে বুলবুল হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেন।

অপরদিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়ে নাওগাঁও ইউনিয়নে মোজাম্মেল হক, ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নে জয়নাল আবেদীন বাদল, রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নে মুক্তা চৌধুরী ও কালাদহ ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম মাষ্টার বিজয়ী হয়েছেন।

এদিকে বিএনপি দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশ না নিলেও দলটির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ফুলবাড়িয়ার চারটি ইউপিতে বিজয়ী হয়েছেন।

তারা হচ্ছেন- পুটিজানা ইউনিয়নে সাইদুর রহমান রয়েল, বালিয়ান ইউপিতে ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান পলাশ, বাকতা ইউপিতে ফজলুল হক মাখন।

হালুয়াঘাট উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও তিনটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী স্বতন্ত্র হয়ে জয়ী হয়েছেন।

নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হচ্ছেন- ভুবনকুড়া ইউনিয়নে এম সুরুজ মিয়া, জুগলী ইউনিয়নে মোহাম্মদ সামাদুল ইসলাম, গাজিরভিটা ইউনিয়নে আব্দুল মান্নান, ধারা ইউনিয়নে তোফায়েল আহমেদ বিপ্লব ও ধুরাইল ইউনিয়নে ওয়ারিছ উদ্দিন সুমন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়ে নড়াইল ইউপিতে আনোয়ার হোসেন মানিক ও স্বদেশী ইউপিতে জিহাদ সিদ্দিকী ইরাদ জয়ী হয়েছেন।

এছাড়াও স্বতন্ত্র হিসেবে জয়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা হচ্ছেন- বিলডোরা ইউনিয়নে সাবজাল হোসেন খান, শাকুয়াই ইউনিয়নে ইঞ্জিনিয়ার ইউনুছ আলী খান, আমতৈল ইউনিয়নে শফিকুর রহমান শফিক

ধোবাউড়া উপজেলার সাত ইউনিয়নে নির্বাচন হলেও বাঘবেড় ইউনিয়নে ব্যালট বাক্স ছিনতাই হওয়ায় ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে বাকী ছয় ইউপির মধ্যে একটিতে আওয়ামী লীগ, দুইটিতে নৌকার বিদ্রোহী, একটিতে স্বতন্ত্র ও দুই ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন।

নির্বাচিতরা হচ্ছেন- ধোবাউড়া ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম মুকুল (নৌকা), গামারীতলা ইউনিয়নে আনোয়ার হোসেন খান (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও বর্তমান চেয়ারম্যান), ঘোঁষগাও ইউনিয়নে হারুন অর রশিদ (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী)।

অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নে মঞ্জুরুল হক, গোয়াতলা ইউনিয়নে জাকিরুল ইসলাম তলুকদার টুটন ও দক্ষিণ মাইজপাড়া হুমায়ূন কবির সরকার জয়লাভ করেছেন।

নেত্রকোনা

নেত্রকোনার তিন উপজেলার ২৫ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্যে ২৪টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৭টিতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। সাতটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। একটির ফলাফল স্থগিত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত এগারোটার দিকে জেলা রিটার্নিং ও নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নেত্রকোনা সদরের চল্লিশা ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সৈয়ম মাহবুবুল মজীদ, দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সেলিম আজাদ সেলিম, মেদনী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ মিজানুর রহমান খান, কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন খান, আমতলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ সবুজ, সিংহের বাংলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলী আহসান সুমন, ঠাকুরাকোনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আব্দুর রাজ্জাক, কাইলাটী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল হক, মৌগাতী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান আবুনী, রৌহা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রশিদ বিজয়ী হয়েছেন।

বারহাট্টা উপজেলার রায়পুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান রাজু, বাউসীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামুসুল হক, বারহাট্টা সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী সাখাওয়াত হোসেন খান, চিরাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইদুর রহমান, সাহতা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান চঞ্চল, আসমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান ছন্দু এবং সিংধা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসিম তালুকদার বিজয়ী হয়েছেন।

আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আব্দুস সাত্তার, লুনেশ্বরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শাহজাহান কবীর, বানিয়াজানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. ফেরদৌস মিয়া, তেলিগাতীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অখিল চন্দ্র দাস, দুওজ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইদুল হক তালুকদার, সুখারীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. শাহজাহান এবং শুনই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. রোকন উজ্জামান বিজয়ী হয়েছেন।