[gtranslate]

বাগমারা খয়রা ছাগলে শিম গাছের পাতা খাওয়া কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত: ২


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ২১, ২০২৩, ১:৫৩ অপরাহ্ণ / ৪১
বাগমারা খয়রা ছাগলে শিম গাছের পাতা খাওয়া কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত: ২

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার

বাগমারা খয়রা বানিয়া পাড়া ছাগলে শিম গাছের পাতা খাওয়া কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ ২ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে (১) মো: জাকিরুল ইসলাম (৩২) পিতা: মৃত:- জাফের মন্ডল,(৫০) (২)মোছা: শায়লা বিবি (৪০) স্বামী : মো: ইউনুস আলী, তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাগমারা উপজেলার খয়রা বানিয়া পাড়া গ্রামে। সংঘর্ষের পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, খয়রা গ্রামের ফৌরদোসী বিবির ছাগল প্রতিবেশী জাকিরুলের গাছে প্রতি নিয়ত পাতা খায়, শুধু একদি,দুদিন নয় প্রায় দিনের জন্য পাতা খায়। এ সময় জাকিরুলের পরিবারের সদস্যরা ছাগলকে গাছের পাতা খাওয়া দেখতে পান এবং ছাগলকে তাড়িয়ে দেন।  পাতা খাওয়া বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে তর্ক বিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে তর্ক বিতর্ক থেকে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।নুর মোহাম্মদ তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক ভাবে তাদেরকে গালি-গালাজ করে এবং দেশী (অস্র) দিয়ে তাদের যক্ষম করে, এর সাথে ওখানকার স্থানীয় মোছা: শায়লা বিবি তাকে বাঁচাতে গেলে ঘটনারস্থলে তাকেও মেরে হাত ভেঙে দেওয়া হয়,ক্ষমতার দাপটে মো: নুরআহতদের এখনো হাত,পা ভাঙ্গার হুমকি দেয়,বা তাদেরকে বাড়ি থেকে বের,ও কোথাও যাওয়া আসা করতে পারছেন না,এবং টাকা দিয়ে বাহির এলাকা থেকে কিছু মাস্তান ঠিক করে রেখেছেন আহতদের আবার মারার জন্য।  সংঘর্ষে নারীসসহ আসামীর পক্ষের ২ জন আহত হয়।স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আহত জাকিরুল, ও শায়লা বিবি, জানান,আমরা মেডিকেলে আছি জেনে এখানেও এসে মারা ভয়, বা হুমকি দেয়বাদী পক্ষ মো: নুর মোহাম্মদ।  এ বিষয়ে গ্রামের প্রধান,ও ওয়ার্ড কাউন্সিলার মো: রইচ উদ্দিনের কাছে গেলে সে বলেন এ-ই বিষয়ে দেখবো, কিন্তুু সে কিছুই করেননী। বরং তাদের ভাড়া করা লোকজন দিয়ে পথে, ঘাটে মারার, হুমকি দিয়ে যাচ্ছে, ও সুস্থ্য হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে বাগমারা থানায় মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ করেন নাই।