[gtranslate]

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল রউফ


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৩, ২০২৩, ৫:০৫ অপরাহ্ণ / ২২
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল রউফ

বিশেষ প্রতিনিধ,

পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ-১৪৩০ এর আগমন উপলক্ষে তাহিরপুর উপজেলা ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ সহ দেশবাসী কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল রউফ। তিনি পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষেও তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা জানান। কয়লা ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল রউফ মিয়া বলেন ‘জাগতিক নিয়মের পথ-পরিক্রমায় বছর শেষে আমাদের মধ্যে আবার এসেছে নতুন বছর-১৪৩০ বঙ্গাব্দ। সবাইকে নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।’ এর পরপরই আমাদের ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের রমজান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোঃ আব্দুল রউফ বলেন, ‘মুসলমানদের সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস চলছে এখন। আমি সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে পবিত্র মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানাচ্ছি।’  তিনি শুভেচ্ছা বার্তায় আরও জানান এ ভূখণ্ডের হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং কৃষ্টির বাহক এ দেশের বাঙালি জনগোষ্ঠী। বিভিন্ন ধর্মে-বর্ণে বিভক্ত হলেও ঐতিহ্য ও কৃষ্টির জায়গায় সব বাঙালি এক এবং অভিন্ন। নানা ঘাত-প্রতিঘাতে অনেক ঐতিহ্য হারিয়ে গেলেও পয়লা বৈশাখে নববর্ষ উদযাপন এখনো স্বমহিমায় টিকে আছে। সারা বছরের ক্লেদ-গ্লানি, হতাশা ভুলে এদিন সব বাঙালি নতুন আনন্দ-উদ্দীপনায় মেতে ওঠেন। ‘‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো/ মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/ অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা” পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণকে বাঙালির সর্বজনীন উৎসব আখ্যা দিয়ে মোঃ আব্দুল রউফ বলেন, ‘আবহমানকাল ধরে বাংলার গ্রাম-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে এই উৎসব পালিত হয়ে আসছে। গ্রামীণ মেলা, হালখাতা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল বর্ষবরণের মূল অনুষঙ্গ। ব্যবসায়ীরা আগের বছরের দেনা-পাওনা আদায়ের জন্য আয়োজন করেন হালখাতা উৎসবের। গ্রামীণ পরিবারগুলো মেলা থেকে সারা বছরের জন্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র কিনে রাখতেন। গৃহস্থ বাড়িতে রান্না হতো সাধ্যমতো উন্নত মানের খাবার।’ সকল সংকীর্ণতা, কূপমণ্ডূকতা পরিহার করে উদারনৈতিক জীবনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পয়লা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রাণিত করে। মনের ভেতরের সকল ক্লেদ, জীর্ণতা দূর করে আমাদের নতুন উদ্যমে বাঁচার শক্তি জোগায়, স্বপ্ন দেখায়। আমরা যে বাঙালি, বিশ্বের বুকে এক গর্বিত জাতি, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে এই স্বাজাত্যবোধ এবং বাঙালিয়ানা নতুন করে প্রাণ পায়, উজ্জীবিত হয়।’  বাঙালি সংস্কৃতি সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে যাচ্ছে আজ শুধু দেশে নয়, বিশ্বের যে প্রান্তেই বাঙালি তাঁর বসবাস গড়ে তুলেছেন, সেখানেই বাঙালির হাজার বছরের লোক-সংস্কৃতিকে বয়ে নিয়ে গেছেন এবং যাচ্ছেন। বর্ষবরণসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁরা জানান দেন, তাঁরা বাঙালি। আর এর মাধ্যমেই পৃথিবীজুড়ে তৈরি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অন্য সংস্কৃতির সেতুবন্ধ।’ নববর্ষে বাঙালি জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মো আব্দুল রউফ বলেছেন ‘পারস্পরিক সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আসুন, বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি। যেখানে বৈষম্য থাকবে না, মানুষে মানুষে থাকবে না কোনো ভেদাভেদ, থাকবে না ধর্মে-ধর্মে কোনো বিভেদ।’  তাই আবারো সবার প্রতি পহেলা বৈশাখ বাংলা ও নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো! শুভেচ্ছান্তে: মোঃ আব্দুল রউফ শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন। ২নং ওয়ার্ড,কলাগাঁও।