[gtranslate]

বাংলাদেশ সহ মোট ৭ দেশের ভিসা স্থগত


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৫, ২০২১, ৩:০৭ পূর্বাহ্ণ / ১৯৯
বাংলাদেশ সহ মোট ৭ দেশের ভিসা স্থগত

 

কুয়েত প্রতিনিধি: আলিফ হোসেন ভূঁঞা

বাংলাদেশী কর্মীদের ভিসা প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশ সরকার বা পররাষ্ট্রনীতি কুটনৈতিক করনীয় কী?

বাংলাদেশ সহ মোট ৭ দেশের ভিসা স্থগত (অনুমোদন পায়নি) এনিয়ে অনেকেই বিচলিত…

আসল কথায় হচ্ছে আবারও আগের মত করে এই ৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকদের কুয়েতে নতুন ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে হলে লামানা করে আসতে হবে। কারন কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানালয় থেকে ডাইরেক্ট বলা হয়েছে

এই ৭ জাতীয়তার (দেশের) কাউকে যেনো ওয়ার্ক_ভিসা অথবা ফ্যামিলি_ভিসা, ও ব্যাবসায়িক ভিসা না দেওয়া হয় কুয়েত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া।

 

এখন আমার মতে এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের নজর দেওয়া উচিৎ কারন এটার জন্য দায়ী হচ্ছে কুটনৈতিক সম্পর্ক এবং পররাষ্ট্র নীতি। কুয়েত অবস্থানরত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মহাদয় অবশ্যই এই বিষয়ে অবগত আছেন। তাই উনার কাছে আবেদন রইলো এই যে স্যার আপনার আগেরবর্তী অনেক রাষ্ট্রদূত ছিল হয়তো উনারা এটা নিয়ে কুয়েত স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে এমনভাবে আলাপচারিতা করতে পারিনি,বা তারা করেও সফল হয়নি, এখন বর্তমানে কুয়েতের প্রত্যেকটা প্রবাসীর কাছে আপনি নয়নের মণি হয়ে গেছেন কারন আপনার একটার পর একটা ভালো প্রসংশনীয় উদ্যোগের কারনে। যদি এই ব্যাপারে আপনি কুয়েত সরকারের সাথে আলাপচারিতা করে এটার সমোঝোতা করেন তাহলে প্রবাসীদের জন্য এটা খুবই স্বস্তির হবে।

 

কেননা স্যার বিশেষ অনুমতি বা লামানা করে আসাটা এটা আমাদের জন্য অনেক লজ্জার বিষয়,

 

তার কারন এটা আমাদের কৃতকর্মের ফল,একটা ভালো কাজের বিপরীতে ১০ খারাপ কাজের সাথে জড়িত থাকি আমরা বাংলাদেশীরা। তবুও এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকে কুয়েত পররাষ্ট্রমন্ত্রানালয়ের সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক ও আলোচনা করা প্রয়োজন।

 

বিদ্রঃ কুয়েত সরকার ৫৩টি দেশকে ভিসার অনুমতি দিলেও বাংলাদেশকে বিশেষ অনুমতি নিয়ে আসতে হবে যা আমাদের জন্য অনেক লজ্জার, তাই এইবিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই কুয়েত সরকারের সাথে আলাপচারিতা করতে হবে, যাতে বিশেষ অনুমতি ছাড়া প্রবাসীরা নতুন ভিসা নিয়ে আসতে পারে।