[gtranslate]

বড়দল উত্তর ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম ব্রাহ্মণগাঁও নেই কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা।


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২৭, ২০২১, ১:৪৬ অপরাহ্ণ / ৯২
বড়দল উত্তর ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম ব্রাহ্মণগাঁও নেই কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

নিজস্ব প্রতিবেদন:

ব্রাহ্মণ গাঁও গ্রামের পূর্বপ্রান্তের ছোট্ট একটা নদীর উপর সেতু নির্মিত না হওয়ায়, ফসল ঘরে তোলাসহ যাতায়াতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষকে। নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবিটা বহুদিন ধরেই লালন করে আসছে এ অঞ্চলের মানুষ। ব্রাহ্মণগাঁও, দিগলবাক, পুরানঘাট, মধুয়াচর, শান্তিপুর গ্রাম সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের কয়েক প্রজন্মের কাছে এখন এটা একটা অধরা স্বপ্নই রয়ে গেছে।।

ব্রাহ্মণ গাঁও গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, গ্রামের পূর্ব তীরে সুনামগঞ্জ থেকে বাদাঘাট বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়ক রয়েছে শুধু তাই না উপজেলার সাথে ও যোগাযোগ করতে হবে এবং ইউপি পরিষদে যোগাযোগ করতে হলে এই ছোট্ট নদী পার হতে হয়। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও নদী পারাপারের দুঃখ মোচন হয়নি। ঘর থেকে বের হলে যদি কোথাও যাওয়ার ইচ্ছা হলে নদী পারাপারের জন্য যেতে ইচ্ছে করেনা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বর্ষাকালে নদী পারাপার হতে হয়।

সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে আছে নদীর দুই পারে বসবাসরত ৭/৮ গ্রামের মানুষ। নদীর পূর্ব অংশে একটি বড় হাওর রয়েছে। এই হাওরে এই গ্রামগুলোর সবারই কমবেশি জমি আছে। বর্ষাকালে নদী পার হয়ে কৃষিকাজ করতে হয় পশ্চিম পারের মানুষদের। বিশেষ করে অগ্রহণ মাসে ধান উঠানোর সময় কৃষকেরা মারত্মক সমস্যায় পড়তে হয়।

পশ্চিম পারে অবস্থানরত মানুষগুলো কৃষিতে সুবিধা পেলেও জেলা শহর কিংবা উপজেলা সদরে যেতে হয় নদী পার হয়ে। শুধু তাই নয় ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে হলেও এই ছোট্ট নদী পার হতে হয় প্রায় ১০ থেকে ১৫টি গ্রামের মানুষের।

আওয়ামী লীগের টানা তিন মেয়াদের শাসনামলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন ঘটলেও এখনও পিছিয়ে আছে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম।

প্রতি বছর ২/৩ লক্ষ টাকা, ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি খেয়া ইজারাদারের কাজ থেকে আদায় করছেন ইউনিয়ন পরিষদ, সাধারণ মানুষের গুনতে হচ্ছে প্রতি পারাপারে মানুষ প্রতি ৫ টাকা গাড়ি প্রতি ১০ টাকা প্রতি পারাপারে। সাধারণ মানুষের প্রতি বছরে গুনতে হচ্ছে ৩/৫ লক্ষ টাকা। তারপরেও নেই এলাকার উন্নয়ন।