[gtranslate]

পাকিস্তানিদের “হত্যাযজ্ঞ”-:চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস:-


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ২৫, ২০২৩, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ / ২৮
পাকিস্তানিদের “হত্যাযজ্ঞ”-:চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস:-

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বর্বরোচিত গণহত্যা চালানোর এক ভয়াল স্মৃতির কালরাত এই ২৫ শে মার্চ। ১৯৭১ সালের এই রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে রচিত হয়েছিল বিশ্বের নৃশংসতম গণহত্যার এক কালো অধ্যায়।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাতটি ছিল ভয়াবহতম একটি রাত। মানবেতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় সেই কালো রাতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী মেতেছিল জান্তব উল্লাসে। ঢাকা শহর হয়েছিল ধ্বংসস্তূপ। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ রাতটি এসেছে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আতঙ্ক নিয়ে। এই মহামারি বিশ্ব কাঁপিয়ে দিয়ে গেলো।১৯৭১ সালের পর এতোগুলো বছর পেরিয়ে গেলেও এমন আতঙ্কের রাত আর আসেনি ২৫শে মার্চে। করোনা যেন মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই ভীতি, আতঙ্ককে। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে কুখ্যাত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চে বাঙালির জাতীয়তাবাদী, স্বাধিকার আন্দোলনকে সশস্ত্র হামলার দ্বারা দমন করতে চেয়েছিল নরপশুরা।অপারেশন সার্চ লাইট’ ছিলো বাঙালির একটি প্রজন্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এক নারকীয় পরিকল্পনা। কথায় বলে জানতে হলে পড়তে হয়।তাই জ্ঞানীরা সবসময় বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করেন।এখনো দেখা যায় লাইব্রেরির সম্মুখে গেলে সারিবদ্ধ ভাবে বই নিয়ে বসে থাকেন অসংখ্য ভক্ত বৃন্দ।যারা বই পড়ে দেশের অতীত সম্পর্কে জানার চেষ্টা করে । আমি একজন চিত্রশিল্পী তাই ছবি আঁকার সাথে সাথে কিছু লেখার চেষ্টা করি। ঘুরে ঘুরে দেখার চেষ্টা করি।জানার চেষ্টা করি। ছবি আঁকতে গেলে অনেক কিছু জানতে হয় ।ছবি হলো শিল্পীর একটা ভাষা। একজন রাইটার হাজারো কথার মধ্য থেকে লেখা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে,আর সেই লেখা গুণী মানুষেরা পড়ে জ্ঞান অর্জন করেন। আর একজন শিল্পী রং তুলি থেকে কিছু চিত্র তুলে ধরেন ঘটে যাওয়া ঘটনার মূল বিষয়বস্তু নিয়ে।তাই আমি ঘুরে ঘুরে দেখার এবং জানার চেষ্টা করি সেই ছোট থেকে। আজ ৪৩ বছর বয়সে পদার্পণ করে এখনো জানার আগ্রহ সবসময় থাকে। ১৯৯৯ সাল থেকে খুলনায় এসে বেশ কিছু লাইব্রেরীর সামনে গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করার সাহস ছিল না।বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখে আসতাম। উদিচীর তারক দাদা একদিন আমাকে ডেকে রতন সেন লাইব্রেরীতে নিয়ে যান।আজ তারকদা আমাদের মাঝে নেই কিন্তু দাদাকে আমি এখন ও ভুলে যাইনি। সেই থেকে মাঝে মাঝে লাইব্রেরীতে গিয়ে ইতিহাসের বই পড়তাম এবং সেখান থেকে অনেক কিছু জানার চেষ্টা করতাম।প্রতিনিয়ত কিছু গুনী মানুষ আবার কিছু যুবকরাও ওই লাইব্রেরীতে আসতেন ।খুলনা পিটিআই কমিশনার বিল্ডিং এর পাশে রতন সেন লাইব্রেরী ছিল।ওখানেই আমার বিকাল বেলার মুহূর্তটা কাটতো ।তারপরে খুলনা আর্ট কলেজে পড়ার সৌভাগ্য হলো। ওখানে বিভাগীয় গ্রন্থাগার ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছিল। হাজার হাজার বই সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে এই গ্রন্থাগারে। ওখানে বই পড়তে হলে সদস্য হতে হয় ।লাইব্রেরীর সম্পর্কে বেশ একটা ধারণা তৈরি হল। আমার একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষক কাজী ফেরদৌস বাবু বর্তমানে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন ।স্যারের কাছ থেকে অনেক শিক্ষা অর্জন করেছি এবং উমেশ চন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরী সেখানেও আমার শ্রদ্ধেয় একজন শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় শ্যামল স্যার ওখানের দায়িত্বে আছেন। স্যারের কাছে গিয়ে মাঝে মাঝে সময় কাটাতাম।দেখতাম লাইব্রেরীতে অসংখ্য মানুষ বই পড়ছে।আসলে সবার তো চিন্তা ভাবনা এক হওয়ার কথা না। তাই বলবো জানতে হলে বই পড়ার বিকল্প কিছুই নেই।অনেক কথাই বলে ফেললাম ইতিহাস সম্পর্কে লিখে শেষ করা যায় না। এই পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে জানতে হলে আর অন্য কোন কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় পাবে না। আর এই যুগে এমন মানুষের সন্ধান খুব কমই পাওয়া যাবে। প্রত্যেকটা মানুষই জীবনের সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন। ২৫শে মার্চ আমাদের কাছে একটি কলঙ্কিত দিন। নির্মমভাবে আমাদের উপরে যে অত্যাচার চালিয়েছিলেন এটি ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ জঘন্য অধ্যায়।এই গণহত্যা হয়তোবা কোন রাষ্ট্রের ইতিহাসে খুঁজলে পাওয়া যাবে না। কোন কারণ ছাড়া রাতের অন্ধকারে নির্মম ভাবে বাঙ্গালীদের উপরে যে অত্যাচার করেছিলেন সে কথা আমরা সবাই জানি। তাই আর লিখলাম না। এখন আমাদের কি করনীয় সেই ব্যাপারে নিচে কিছু লেখার চেষ্টা করবো।পড়াশোনা করেন যারা অপারেশন সার্চলাইট সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা আছে।আমি একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি যার নাম খুলনা আর্ট একাডেমি।২০১০ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোচিং পরিচালনা করি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অপারেশন সার্চলাইট সম্পর্কে লিখতে বলেছিলাম তারা লিখেছিলেন হাসপাতালে যেখানে অপারেশন করা হয় সেখানে যে লাইটগুলো ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেশন সার্চলাইট বলে। তাই বলবো যে লিখেছে সে ইতিহাস কখনো পড়ার চেষ্টা করেনি।হয়তো আমার লেখাগুলো একটু অগোছালো কারণ আমি একজন প্রকৃত লেখক নই। আমি একজন চিত্র শিল্পী। আজ একজন ব্যক্তির কথা না বললেই নয়। তিনি হলেন শ্রদ্ধেয় দাদা প্রবীর বিশ্বাস। তিনি আমার লেখায় অনেক সহযোগিতা করে উৎসাহ দিয়েছেন। পত্রিকায় প্রকাশ করতে সহযোগিতা করেছেন।তখর অনুপ্রেরণায় আমি এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। এবং নুর হাসান জনি ভাইয়ের ও অনেক সহযোগিতা রয়েছে। আমি তাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব। আমি ছবির মাধ্যমে আমার মনের ভাষা প্রকাশ করার চেষ্টা করি।হয়তো লেখার মাঝে অনেক কিছু ভুল থাকতে পারে। বাংলাদেশের অনেক বদ্ধভূমি রয়েছে তার ভিতরে খুলনার চুকনগর সেখানে যে বদ্ধভূমি রয়েছে একদিনে অল্প সময়ের মধ্যে কয়েক হাজার হাজার প্রাণ মাটিতে লুটিয়ে দিলেন রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল চুকনগরের সেই মাঠঘাট। আমার বয়স খুবই অল্প। আমি একাত্তর দেখিনি একাত্তরের গল্প শুনেছি। এখনো কোন মুক্তিযোদ্ধা পেলে তার কাছে একাত্তর সম্পর্কে আমি গল্প শোনার চেষ্টা করি।খুব আগ্রহের সহিত জানার ইচ্ছাটা সেই ছোটবেলা থেকে। তাই খুলনা চুকনগর বদ্ধভূমি সম্পর্কে জানার জন্য কালের কন্ঠ সাংবাদিক দেবদাস মজুমদারের সাথে সেখানে গিয়ে একটি বড় তথ্য সংরক্ষণ করি।সেখানে গিয়ে যে স্থানীয় জনগণের কাছে জানতে পারলাম ট্রাক ভরে হাজার হাজার লাশ এনে একটি স্থানে রেখে মাটি চাপা দিয়েছিলেন। সবচেয়ে যে দুঃখজনক ঘটনা মৃত মায়ের বুকের দুধ পান করছেন একটি শিশু।অথচ তার মা মৃত তখনও সে বুঝতে পারেনি। এই দৃশ্যটি এক ইসলাম ধর্মের ব্যক্তি দেখে সেই কন্যা সন্তানটিকে নিয়ে এসেছিলেন। যে মায়ের বুকের উপরে কন্যা সন্তানটি পেয়েছিলেন তার হাতে শাঁখা সিঁদুর থাকায় সে হিন্দু সন্তান এর স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং তাকে নিজের সন্তানের মতোই বড় করে নিজের সন্তানের সঙ্গে তাকে উপযুক্ত করে তোলে। এই মেয়েটিকে হিন্দুর পরিচয় দিয়ে বড় করে এবং  হিন্দুর একটি পাত্র দেখে তাকে বিবাহ দেন।যিনি এই কাজটি করেছেন তার প্রতি আমি শুভ কামনা জানাই। তাদের নাম গুলো আমি সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলাম না।পরবর্তী কোনো লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করব। উপরে লেখার মাঝে যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি একজন নবীন আমাকে আশীর্বাদ করবেন। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জীবনকে অতিবাহিত করতে চাই।তাই মনের কথা সবসময় লিখে, ছবি এঁকে ,গান, কবিতার মাধ্যমে প্রকাশ করতে চাই। আমার লেখা কবিতা, গান বিভিন্ন সম্মানিত শিল্পীরা কেউ বেতারের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং আবার তাদের মধ্যে অনেকেই মিউজিকের উপরে বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেছেন যেমনঃপরমা ঢালী,মনাষীশ বালা, দ্বৈপায়ন বিশ্বাস, মহেশ্বর চন্দ্র বর্মন,এই কজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিউজিক এর উপরে পড়া লেখা করে বের হয়েছেন। আব্দুল হক,গ্রীন তালুকদার,শ্যামল ফৌজদার,বিষান চন্দ্র মন্ডল,প্রবীর শীল, মধুসূদন হালদার বাপি,সবুজ তরফদার, তিথি মনি মন্ডল ,স্বর্ণা মিস্ত্রি,পরমা মজুমদার, শ্রীধাম  মন্ডল,শিল্পী বালা,

মহানন্দ গাইন এদের মধ্যে রয়েছে অনেকেই বাংলাদেশ বেতারের সাথে জড়িত এরকম অসংখ্য শিল্পীরা আমার লেখা গানে সুর দিয়ে জীবন্ত করেছেন।আমি দেশের গান লিখতে পছন্দ করি ।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু,ভাষা শহীদদের, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও গান লিখেছি ।হয়তোবা আমার এই চেষ্টা এক সময় জাগ্রত হবে। এটা হয়তো আমি দেখে যেতে পারবো না। তাই বলে থেমে থাকি না মনকে বলি মিলন তোমার চেষ্টা বিফল হবে না।নিজের সাথে নিজেই কথা বলি।

শিল্পীরা কবিরা একটু ভিন্ন হয়ে থাকে তাই আমার চেষ্টা থেকে আমার শিল্প সাধনা থেকে আমি চেষ্টা করে যাবো। পাকিস্তানীদের কথা আমি আমার গানের ও কবিতার মাঝে তুলে ধরব।আমার অনেক ছবির মাঝে নরপিচারদের নিয়ে আমি অনেক কাজ করেছি আমি তাদের “জঘন্য জাতি বলে আখ্যায়িত করলাম” বাঙ্গালীদের চিরশত্রু পাকিস্তানের  কোন পণ্য বাংলাদেশে ব্যবহার করা উচিৎ না। এটি সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা উচিৎ। কোনভাবে যোগাযোগ না রাখাটাই ভালো তাদের সাথে কোন বন্ধুত্ব না করা আমাদের উচিৎ।তারা মানুষ নয়, মানুষ হলে কিভাবে রাতের আধারে এভাবে হত্যাযজ্ঞ করেছিলেন বাঙ্গালীদের উপরে যে অত্যাচার করেছে তা পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাসে লেখা রয়েছেন। আমি একজন শিল্পী হিসাবে সরকার কর্তৃক অনুরোধ জানাচ্ছি মাসের মধ্যে একদিন প্রযুক্তির এখন যেভাবে উন্নয়ন ঘটছে প্রজেক্টরে সুন্দর করে পাকিস্তানিদের এই ঘটনাগুলি আমাদের নবীদের দেখানো উচিত।আসলে বই পড়ে যতটা না জ্ঞান অর্জন করতে পারবে তার চেয়ে এটি শিক্ষনীয়। পাকিস্তানীরা  বাঙ্গালীদের উপরে যে বর্বরতার নির্মম অত্যাচার গণহত্যার উপরে, একাত্তরের কর্মকাণ্ড এই দেশের ইতিহাস প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রজেক্টরে ডিজিটাল ভাবে দেখাবার সুযোগ করলে আমাদের নবীনরা অনেক কিছু জানতে পারবে। তারাও নিন্দা করবে ,ঘৃনা করবে। পাকিস্তানি কোন কারো সাথে কোন বন্ধুত্ব করবেনা। আপনারা সবাই আমার জন্য শুভ কামনা করবেন।আমি একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করি। আমি শিক্ষার্থীদের মাঝে আদর্শ শিক্ষা দিয়ে এই দেশের ইতিহাস শিল্পচর্চার মাধ্যমে যেন প্রকাশ করতে পারি।আমি বঙ্গবন্ধুকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই জাতির পিতা তুমি আবারো জন্মগ্রহণ করে আমাদের মাঝে আসো তবে তোমার এই সোনার বাংলা স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হবে। এটা আমার বিশ্বাস তাই পুনর্জন্ম নিয়ে আমাদের মাঝে জাতির পিতার আগমন ঘটুক।গত কয়েক বছর ধরে খুলনার স্থানীয় পত্রিকা গুলোতে আমার লেখা প্রকাশিত হয় ।তাই লেখার প্রতি আরও আগ্রহ বেড়ে যায়। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে মানুষের কাছে চির অমর হয়ে বেঁচে থাকতে চাই। আমি বঙ্গবন্ধুকে আমার হৃদয়েও স্থান দিয়েছি। তার অসংখ্য ছবি এঁকেছি এখনো প্রতিদিন ছবি আঁকতে বসলে তার ছবিটাই আগে আঁকি। ছাত্র ছাত্রীদের প্রতিনিয়ত ছবি আঁকার ক্লাস নিয়ে থাকি। নাটক ও গান, কবিতা লিখেছি অসংখ্য এবং এই পর্যন্ত ৫০টি তার ছবি এঁকেছি ।তার ছবি এঁকে আমি শিল্পচর্চার জীবন খুঁজে পাই। আমার ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করি এবং তাদের ছবি আঁকার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাই।আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শে চলার চেষ্টা করব। প্রিয় পাঠক-পাঠিকাদের বলব আপনার সংসারে ছোট ছোট শিশুদের এই দেশের ইতিহাসের গল্প শোনাবেন। তাতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা এই দেশ সম্পর্কে জানতে পারবে।সর্বশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই এবং  জঘন্য জাতিদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়ে আমার লেখা সমাপ্ত করলাম।      ধন্যবাদান্তে:- চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস, রচনাকালঃ২৪-০৩-২০২৩