[gtranslate]

পঞ্চম ধাপে সিলেটে আবারো নৌকার ভরাডুবি


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : জানুয়ারি ৬, ২০২২, ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ / ৪৩৩
পঞ্চম ধাপে সিলেটে আবারো নৌকার ভরাডুবি

 

প্রচেষ্টা নিউজ টোয়েন্টিফোর:

সিলেট বিভাগের চারটি জেলার ১০ টি উপজেলার  ৭৫ ইউনিয়নের গত বুধবার (৫ জানুয়ারী) পঞ্চম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আওয়ামী লীগর দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী নৌকার প্রতীক নিয়ে ২৯ ইউনিয়নে জয়লাভ করেছেন, এবং ৪৪ টি ইউনিয়নে জয়লাভ করেছেন স্বতন্ত্র বিদ্রোহী জামাত ও জাতীয় পার্টিসহ অন্যান্য দল। বিশৃঙ্খলার কারণে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার দুটি নয়ন এর ফলাফল স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

সিলেটে ১৮ ইউপির ৬টিতে নৌকা ১০ টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী

সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলার ১৮ ইউনিয়নে একটি ইউনিয়নের ফলাফল স্থগিত ও অপর এক ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।

বাকি ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে আওয়ামী লীগ, ২টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, ২টিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।এছাড়া স্বতন্ত্রের ব্যানারে ৩টিতে জামায়াত, ২টিতে বিএনপি এবং একটিতে জাতীয় পার্টির এক নেতা বিজয়ী হয়েছেন। জাতীয় পার্টির ওই নেতা দলীয় প্রতীক ছাড়াই স্বতন্ত্রের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেন।

জকিগঞ্জের ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে কাজলসারের সবকয়টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত ও সুলতানপুর ইউনিয়নের গণিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। সুলতানপুর ইউনিয়নের ১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯টির ফলাফলে এগিয়ে রয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন স্বতন্ত্রের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপি নেতা হাসান আহমদ।

বাকি ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, একটিতে জামায়াত ও একটিতে জাতীয় পার্টির নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।

আরো খবর:..

চতুর্থ ধাপে: সিলেটে ৪টি জেলা আ.লীগ ১৯, বিদ্রোহী ১০, স্বতন্ত্র১০টি, অন্যান্য ৪, স্থগিত-১

তৃতীয় ধাপে:  সিলেট বিভাগে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের উল্লাস

দ্বিতীয় ধাপে:

প্রথম ধাপে:

সুনামগঞ্জের ১৮ ইউপির মধ্যে ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, শাল্লা ও জামালগঞ্জ উপজেলার ১৮ ইউনিয়নের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সাতটিতে নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বাকি ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার।

জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ধর্মপাশা উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মধ্যে নৌকা বিজয়ী হয়েছে চারটিতে। বাকি ছয়টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

এই উপজেলার মধ্যনগর সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী সঞ্জীব তালুকদার টিটু, চামরদানী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলমগীর খসরু, বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী রাসেল আহমেদ, বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর নবী তালুকদার, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাসরিন সুলতানা দীপা, সুখাইড় রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোকাররম হোসেন, সেলবরষ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম ফরিদ, পাইকুরাটি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোজাম্মেল হক, ধর্মপাশা সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জুবায়ের পাশা হিমু ও জয়শ্রী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সঞ্জয় রায় চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।

শাল্লা উপজেলার চার ইউনিয়নের একটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, বাহারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু, হবিবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সুবল চন্দ্র দাস এবং শাল্লা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুস সাত্তার জয়ী হয়েছেন।

জামালগঞ্জের চার ইউনিয়নের দুটিতে নৌকা ও দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলার ফেনারবাক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থী কাজল চন্দ্র তালুকদার ও বেহেলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুব্রত সামন্ত সরকার, সাচনা বাজার ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাসুক মিয়া ও ভীমখালী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তারুজ্জমান তালুকদার বিজয়ী হয়েছেন।

সুনামগঞ্জ এর আরো খবর:

সুনামগঞ্জে প্রথম নারী চেয়ারম্যান দীপা

হবিগঞ্জে ২১টি ইউপির ১৫ টিতে হেরেছে দলীয় প্রতীক নৌকা

হবিগঞ্জে দু-্একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। ১৫টি ইউনিয়নে হেরেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

চুনারুঘাটের ১০টি ইউনিয়নের মাত্র ৪টিতে নৌকা প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন ৩টিতে। আর ৩টিতে স্বতন্ত্র (২টি বিএনপি ও একটি জামায়াত) প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

নির্বাচিতরা হলেন ১নং গাজীপুর ইউনিয়নে বিএনপি মক্কার জেদ্দা নগর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী (মোটরসাইকেল), ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী জাকির হোসেন পলাশ (ঘোড়া), ৩নং দেওরগাছ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. মহিতুর রহমান রোমন ফরাজি (চশমা), ৪নং পাইকপাড়ায় আওয়ামী লীগ দলীয় মো. ওয়াহেদ আলী মাস্টার (নৌকা), ৫নং শানখলা ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম (ঘোড়া), ৬নং চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মাহবুবুর রহমান চৌধুরী (আনারস), ৭নং উবহাটা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র বিএনপি নেতা এজাজ ঠাকুর চৌধুরী (আনারস), ৮নং সাটিয়াজুরী আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আবদালুর রহমান (নৌকা), ৯নং রাণীগাও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় মোস্তাফিজুর রহমান রিপন (নৌকা), ১০নং মিরাশি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় মানিক সরকার (নৌকা)। রাতের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার।

অপরদিকে মাধবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ২টিতে নৌকার প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তবে এ উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি নেতাদের জয়জয়কার। ৪টি ইউনিয়নে বিএনপির নেতারা জয়ী হন। ২টিতে নৌকা, ১টিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী এবং ১টিতে অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছে।

মৌলভীবাজারে ১৮টি ইউপির ১০ টিতে নৌকার প্রতীক জয়লাভ।

মৌলভীবাজারে দুইটি উপজেলার ১৮ ইউনিয়নে দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৮ টি ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতাশীল দল আওয়ামী লীগ ১০ টি ও বাকী ৮টিতে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। বুধবার রাত ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বেসরকারিভাবে ৯টি ইউনিয়নের ফল ঘোষণা করা হয়।

কমলগঞ্জে ৯ টির ইউপির ৪ আওয়ামী লীগ ও বাকি ৫ বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলার ৯ টির ইউনিয়নে যারা নির্বাচিত হলেন:-

ঘোষিত ফলাফলে যারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- রহিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, পতনউষারে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) অলি আহমদ খান, মুন্সিবাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) নাহিদ আহমদ তরফদার, শমসেরনগরে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) বর্তমান চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ, কমলগঞ্জ সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, আলীনগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) নিয়াজ মুর্শেদ রাজু, আদমপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) বর্তমান চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন, মাধবপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) আসিদ আলী, ইসলামপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী (নৌকা) সাবেক চেয়ারম্যান সুলেমান মিয়া।

শ্রীমঙ্গলে ৯ টির ইউপির ছয়টিতে আওয়ামী লীগ ও বাকি স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পঞ্চম ধাপে বুধবার (৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ছয়টিতে জয়লাভ করেছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা৷ বাকি তিনটির একটিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও দুইটি ইউপিতে জিতেছেন স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থীরা।

বুধবার রাতে উপজেলার কনফারেন্স রুমে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা তপনজ্যোতি অসীম৷ বেসরকারি ফলাফলে ১নং মির্জাপুর ইউনিয়নে জয়লাভ করেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ঘোড়া প্রতীক নিয়ে মিছলু আহমদ চৌধুরী তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অপূর্ব চন্দ্র দেব।২নং ভূনবীর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন মো. আব্দুর রশীদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী এম ইদ্রিছ আলী।৩নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পাস করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী দুদু মিয়া। ৪নং সিন্দুরখান ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত রবিন (ঘোড়া)।৫নং কালাপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা এম এ মতলিব জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফজলুর রহমান ফজলু (ঘোড়া)। ৬নং আশিদ্রোণ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন রণেন্দ্র প্রসাদ বর্ধন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাজু উদ্দিন তাজু।৭নং রাজঘাট ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয় পেয়েছেন বিজয় ব্যানার্জী। তার নিকটতম ছিলেন মাখন লাল কর্মকার (আনারস)।৮নং কালিঘাট ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রাণেশ গোয়ালা জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয় হাজরা (আনারস)।৯নং সাতগাঁও ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে দেবাশীষ দেব রাখু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মিলন শীল (আনারস)৷

এদিকে, সকাল থেকেই উপজেলার ১০০টি কেন্দ্রের ৫৩০টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়৷ ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের ভোট দিয়েছেন৷ বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবেই অনুষ্ঠিত হয়৷

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, শ্রীমঙ্গলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪৪ জন প্রার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের ৯ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৩৫ জন৷ সাধারণ সদস্য পদে ৩৮৫ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।