[gtranslate]

নিরাপদ ডটকম’ ও ‘টিকেটি ডটকমের’ পরিচালক গ্রেপ্তার


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৫, ২০২১, ৭:৩০ অপরাহ্ণ / ১২৯
নিরাপদ ডটকম’ ও ‘টিকেটি ডটকমের’ পরিচালক গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত

 

 

অনলাইন ডেস্ক:

প্রতারণা করে গ্রাহক ঠকানোর কাজে জড়িত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে চলা অভিযানে এবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে অনলাইন টিকেটিং এজেন্সি ‘টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম’ এবং ‘নিরাপদ ডটকম’ এর দুই পরিচালক।

 

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার দক্ষিণখান এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

সিআইডি জানায়, সোমবার রাতে ‘টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকম’ এর পরিচালক রাকিবুল হাসানকে (৩৫) চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই রাতে দক্ষিণখানের কাওলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নিরাপদ ডটকমের পরিচালক ফারহানা আফরোজ এ্যানি (২৯)।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার আজাদ রহমান জানান, রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে গত ৩ অক্টোবর উত্তরা পশ্চিম থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন মুসা মিয়া সাগর নামে এক প্রতারিত গ্রাহক। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, টুয়েন্টিফোর টিকেটি ডটকমের পরিচালক রাকিবুল ফেইসবুক ও ওয়েবসাইটে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে আইন বহির্ভূত ই-ট্রানজেকশন করে টাকা আত্মসাৎ করেন। তার বিরুদ্ধে ওই মামলায় ডিজিটাল প্রতারণারও অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে রাকিব ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির মালিক আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সিইও প্রদ্যোত বরণ চৌধুরী, আসাদুল ইসলাম, এম মিজানুর রহমান সোহেল, রাজ্জাকের বোন নাসরিন সুলতানাকে আসামি করা হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তা আজাদ রহমান জানান, নিরাপদ ডটকমের পরিচালক ফারহানা আফরোজ এ্যানির বিরুদ্ধে গত শনিবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন এক ভুক্তভোগী। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সিইও মো. শাহরিয়ার খানকেও আসামি করা হয়েছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে নিরাপদ ডটকমের সিইও শাহরিয়ার খানকে গত জুলাই মাসে গ্রেপ্তার করেছিল ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ।

ওই সময়ে ডিবি জানিয়েছিল, শাহরিয়ার খান ২০২০ সালের আগস্টে নিরাপদ ডটকম নামের একটি ই-কমার্স সাইট খুলে বিভিন্ন চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের আকৃষ্ট করেন। ৫০ শতাংশ মূল্যছাড়ে মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, ওভেনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্য ৩০ দিনের মধ্যে হোম ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সময় মতো পণ্য সরবরাহ করা হতো না।