[gtranslate]

দুর্গাপুর ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিটের ঘটনায় মামলা, চাঁদাবাজির অপবাদ দিয়ে বাঁচতে, মরিয়া আসামীরা


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মে ১৬, ২০২৩, ২:০০ অপরাহ্ণ / ১১৩
দুর্গাপুর ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিটের ঘটনায় মামলা, চাঁদাবাজির অপবাদ দিয়ে বাঁচতে, মরিয়া আসামীরা

মো: জাহাঙ্গীর আলম, স্টাফ রিপোর্টার

মোবাইল ফেসবুকে পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতাকে পিটিয়ে জখম করে উল্টা মিথা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে হয়রানি করছে প্রতিপক্ষরা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার শিকার ভুক্তোভোগী ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ মোল্লা দূর্গাপুর উপজেলার ২ নং কিসমত গণকৈড় ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কয়ামাজমপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিটের ঘটনায় গত ১২ তারিখ দূর্গাপুর থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিয়েছে সোহাগ।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কয়ামাজমপুর স্কুল মাঠে হৃদয়ের দোকানে একা ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ মোল্লা বসে ছিলেন। ওই দিন তার ফেসবুকে একটি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে কয়ামাজমপুর গ্রামের সাবেক জামাত নেতা মৃত মুনসুর রহমানের ছেলে নাসিম মোফাজ্জলের নেতৃত্বে তার বড় ভাই নাজমুল হোসেন, জুয়েল, সাখাওয়াত, জহুরুল হাতুর লোহার রড, পাইব দিয়ে হামলা চালিয়ে সোহাগকে ব্যপক মারপিট করে গুরুতর জখম করে আহত করে পরে স্থানিয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ নং ওয়ার্ডে তিন দিন চিকিৎসা নিয়ে গত শনিবার বাড়িতে ফিরে যায় সোহাগ। তার চোখের ব্রুতে হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে।আহত ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ মোল্লা দাবি করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার আমার ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করি যুবলীগ নেতা চরিত্র ও একটি ঘটনা উল্লেখ করে। তবে কোন ইউনিয়নের বা কোন নেতার নাম উল্লেখ করিনি সেই পোস্টে।ওই দিন রাত সাড়ে ৯ টার দিকে স্কুল মাঠে মোয়াজ্জেম এর দোকানে বসে ছিলাম একা আমি। ফেসবুকে ওই পোস্ট কে কেন্দ্র করে, তালিকা ভুক্ত জামাত নেতার মৃত মুনসুরের ছেলে নাসিমের নেতৃত্বে তার বড় ভাই নাজমুল হক, জুয়েল, সাখাওয়াত, জহুরুল হটাৎ হামলা চালিয়ে মারপিট করে আমাকে একা পেয়ে। আমাকে মারপিট করে আহত করেছে। আবার আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচার করছে। আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোন প্রমান ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। শুধু একটি কথিত অনলাইনে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ করে ফাঁসাতে চাই নাসিম ও নাজমুল। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নাসিম ও নাজমুলের পিতা ও তার পুরো বংশো জামাত বিএনপির সমর্থক। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালিন তার পিতা মৃত মুনসুর জামাতের রাজনিতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িতো ছিলেন। তারা বংশের কোন লোক আ.লীগের কোন মিছিল, মিটিং এ কোন দিন আসেনি সবাই জানে।মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময় নাসিম এর আগে জেলা ছাত্রলীগের পদ বাগিয়ে নেয় ও একি ভাবে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের পদ বাগিয়ে নিয়েছে। নাসিম ও নাজমুলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকার কিছু মানুষ। যখন তখন পিস্তলের ভয় দেখায় তারা দুই ভাই। এ বিষয় দূর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হোসেন বলেন, ৫ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছে ছাত্রলীগ নেতার পক্ষ থেকে। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে আসামীদের বিরুদ্ধে বলেও জানান ওসি