

ক্রাইম রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান করছে চোরাচালানকারী চক্র। এসব চক্রে সক্রিয় ভাবে কাজ করেছে লাউড়েরগড় সীমান্তের স্থানীয় সোবাহান সর্দার ও তার ছেলে মানিক মিয়া।
তারা সহ চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত কিছু লোক প্রতিদিন দিনে ও রাতে সুযোগ বুঝে বিভিন্ন পণ্য সীমান্তে এপার-ওপার করছে। সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অভিযানে প্রতিদিনই বিভিন্ন সীমান্তে চোরাচালানের পণ্য আটক হলেও থেমে নেই চোরাকারবারীদের অপতৎপরতা। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য আনা নেয়া করায় সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।
জানাযায়, গত ২৩ এপ্রিল বুধবার টাস্কফোর্স অভিযানে চালিয়ে উপজেলার লাউড়েরগড় সীমান্ত থেকে প্রায় ৪৫লাখ টাকার ভারতীয় ফুসকা ও জিরার চালান জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, এসব চোরাচালানের সাথে জড়িত স্থানীয় চোরাকারবারি চক্র। প্রতিনিয়ত বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে চোরাকারবারে সরব রয়েছে চক্রটি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, কয়েকদিন আগের জব্দকৃত চোরাচালানের সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় সোবাহান সর্দার ও তার ছেলে মানিক মিয়া। তারা বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দপটের সাথে চোরাকারবার চালিয়ে গেছে এখনও তার চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় এক বিএনপি নেতা তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, লাউড়ের ঘরের শীর্ষ চোরাকারবারি মস্তফা মিয়া অবৈধভাবে ভারত থেকে ফুসকা এনে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করে। কিছুদিন পূর্বে ফুচকার একটি বিশাল চালান বিন্নকুলি গ্রাম থেকে যৌথ বাহীনির হাতে দড়া পড়লেও তারা থেমে থাকেনি। জব্দকৃত ফুচকাগুলো উন্মুক্ত নিলাম হলেও চোরাকারবারিরা সুকৌশলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফুচকাগুলো হাতিয়ে নেয়। স্থানীয় চিহ্নত চোরাকারবারি ছোবহান সর্দারের ছেলে জীবন মিয়া ও মস্তফার ছেলে মাইনুদ্দিন উন্মোক্ত নিলামের কাগজ ব্যবহার করে তারা প্রতিদিনই ফুচকা নৌকা যোগে, মিনি ট্রাক যোগে চালান করছে দেশের বিভিন্নস্থানে। ৫ আগষ্টের পর এসব দলবাজ চোরাকারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা দলের নাম বিক্রি করে এসব ব্যবসা করছে বলে জানাজায়।
সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানান, সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি বড় বড় চালান ধরতে সক্ষম হয়েছি। চিহ্নিত চোরাকারবারিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :