[gtranslate]

তাহিরপুরে এক নারী আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৩, ১:২৩ অপরাহ্ণ / ২১
তাহিরপুরে এক নারী আহত হওয়ার ঘটনায় থানায় মামলা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে জায়গা নিয়ে ঝগড়ায় এক নারী আহত হওয়ার ঘটনায় ৬জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানাযায়, গত ২৩সে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামে জায়গা নিয়ে ঝগড়ায় সাইদুন নেছা (৪২) নামে এক নারী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। আহত সাইদুন নেছা উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের আয়াতুলের স্ত্রী। এঘটনায় রবিবার সকালে ৬জনের নাম উল্লেখ করে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন আহত সাইদুন নেছার ছেলে সুজন মিয়া। অভিযুক্তরা হলেন – উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের মৃত আব্দুল লতিবের ছেলে রেনু মিয়া (৫০), মুস্তাহাব মিয়া (৪৫), শমশের আলী (৪০) ও সাজিদুল (৩৫), একই গ্রামের আলী উস্তারের ছেলে নাহিদ মিয়া (২৫) ও রেনু মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া (২৫)। অভিযোগ মারফত জানাযায়, জায়গা নিয়ে পূর্ব আক্রোশের জেরে বৃহস্পতিবার রাতে রেনু মিয়া তার লোকজন দা, রামদা, লাঠি সোটা নিয়া আয়াতুলের বাড়িতে এসে বিভিন্ন ভাষায় গালমন্দ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ অবস্থায় আয়াতুলের স্ত্রী সাইদুন নেছা ঘর থেকে বের হলে রেনু মিয়ার হুকুমে তার ভাই মুস্তাহাব মিয়ার হাতে থাকা রামদা দিয়ে আঘাত করে এবং শমশের সহ বাকিদের হাতে থাকা লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাতে সাইদুন নেছা গুরুতর আহত হয়। পরে আহত সাইদুন নেছার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। আহত সাইদুন নেছার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রবিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ বিষয়ে ইউএইচএফপিও ডা. মির্জা রিয়াদ হাসান বলেন, আহত সাইদুন নেছাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহত সাইদুন নেছার ছেলে সুজন মিয়া জানান, অভিযুক্ত রেনু মিয়া ও তার লোকজন দীর্ঘদিন যাবৎ আমার পরিবারের সাথে চরম শত্রুতা পোষন করে আসছে। তারা কিছুদিন পূর্বে আমাদের তিনশত বাঁশ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে রেনু মিয়া ও তার লোকজন আমাদের ক্ষতি করে আসছে। বিষয়টি বিভিন্ন সময় স্থানীয় গণ্যমান্য বক্তিদের অবগত করেছি কিন্তু তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কোন সমাধান হয়নি। তাদের আতঙ্কে বাড়িতে থাকতেও ভয় হয়। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রেনু মিয়াকে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেন নি। এ ব্যাপারে তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ ইফতেখার হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।