[gtranslate]

তাহিরপুরে এক্সভেটর মেশিনে নদী খনন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ১৬, ২০২৩, ১২:১১ অপরাহ্ণ / ২২
তাহিরপুরে এক্সভেটর মেশিনে নদী খনন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন

প্রচেষ্টা নিউজ ডেস্ক:- 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক্সভেটর মেশিন দিয়ে নদী খনন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার বিকালে তাহিরপুর উপজেলার তাহিরপুর সদর বাজার সংলগ্ন বৌলাই নদীতে এক্সভেটর মেশিনের খনন কাজ বন্ধের দাবীতে এ মানববন্ধন করেছে বৌলাই নদীর পাড় ঘেষা রতনশ্রী, ভাটি তাহিরপুর, ঠাকুরহাটি ও গৌবিন্দশ্রী গ্রামের সাধারণ মানুষ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এক্সভেটর মেশিন দিয়ে যেভাবে অপরিকল্পিত ভাবে নদী খনন করে খননের মাটি নদীর পাড়ে রাখছে। এতে পাড়ে রাখা মাটি আবার নদীতে পড়ে নদী ভরাট হবে। এছাড়া এক্সভেটর মেশিনে অপরিকল্পিত খননের কারনে নদীর পাড় ঘেষা গ্রামগুলো মারাত্মক ঝুঁকিতে পরছে। এবাবে খনন করে সরকারী কোটি কোটি টাকা নষ্ট করা হচ্ছে। এতে লাভের লাভ কিছুই হচ্ছে না। এক্সভেটর মেশিনে অপরিকল্পিত খনন কাজ বন্ধ করতে হবে। এবং ড্রেজার মেশিনে খনন করে নদীর পাড় ঘেষা গ্রামের পিছনে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। মানববন্ধনে নদীর পাড় ঘেষা রতনশ্রী গ্রামের আতাউর রহমান, আশিকনুর ও রব্বানী বলেন, আমাদের রতনশ্রী গ্রামটি নদীর পাড় ঘেষা। এবাবে এক্সভেটর মেশিনে নদী খনন করলে আমাদের গ্রামটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। তাই ড্রেজার মেশিনে নদী খনন করে সেই মাটি আমাদের রতনশ্রী গ্রামের পিছনে (উত্তর দিক) ফেললে আমাদের গ্রামটি নদীর ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। তাছাড়া চার বছর আগে উপজেলা পরিষদ রেজুলেশনে নদী খননের মাটি আমাদের গ্রামের পিছনে উত্তর দিকে দেয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়। তারা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলেন, এবাবে অপরিকল্পিত এক্সভেটর মেশিনের খনন কাজ বন্ধ করতে হবে এবং ড্রেজার মেশিনে খনন করে নদীর পাড় ঘেষা গ্রামের পিছনে মাটি ফেলে ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলো রক্ষা করতে হবে। তা না করলে নদীর পাড়ের সাধারণ মানুষ এর চেয়ে কঠিন কর্মসূচী নিবেন বলেও জানান তারা। এসময় বক্তব্য রাখেন, রতনশ্রী গ্রামের আতাউর রহমান, আশিকনুর, রব্বানী, আরিফ তালুকদার, সুজাত মিয়া, ভাটি তাহিরপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য এমদাদনুর, এবাদুল মিয়া, পঙ্কজ রায়, ঠাকুরহাটি গ্রামের হাছনাত তালুকদার, খোকন মিয়া প্রমূখ।  পাউবো সূত্রে জানাযায়, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে এ.আর.কে নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০১৯-২০অর্থবছরে তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন সংলগ্ন বৌলাই নদীর ৬৭০০মিটার খননের কাজ পায়। ওই খনন কাজে ৭কোটি ৩২ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই বছর মেয়াদে এই খনন কাজ চার বছরেও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টি। খননের বাকি আরও ১৪০০মিটার। যার ৭০০মিটার ড্রেজারে আর বাকি ৭০০মিটার এক্সভেটর মেশিন দিয়ে খনন করা হবে বলে জানাযায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তাহিরপুর উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান সেলিম বলেন, নদী খননের কোনো মাটি নদীর মধ্যে থাকবে না। সব সরিয়ে নেয়া হবে। এতে নদী প্রশস্ত হবে এবং গভীরতাও বাড়বে।