[gtranslate]

ঢাকাতে ১৮৩টি ইউপির মধ্যে আ.লীগ -১০১ টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৮০


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : নভেম্বর ১৩, ২০২১, ১:২৪ অপরাহ্ণ / ৫৩৫
ঢাকাতে ১৮৩টি ইউপির মধ্যে আ.লীগ -১০১ টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৮০

নিউজ ডেস্ক:

ঢাকা: দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা বিভাগের ১৩ জেলার ২১টি উপজেলার ১৮৩টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ১৮১টিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ১০১ টিতে, বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র, অন্যান্য-৮০ প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

নরসিংদী

দ্বিতীয় ধাপে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার ১০টি ও সদর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২টির মধ্যে ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয় পেয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বাকি ছয়টিতে জয় পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী।

বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন- সদর উপজেলার চরদীঘলদীতে দেলোয়ার হোসেন শাহীন (আওয়ামী লীগ), আলোকবালী ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন সরকার দিপু (আওয়ামী লীগ) ও রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ীতে রাতুল হাসান জাকির (স্বতন্ত্র), শ্রীনগরে রিয়াজ মোরশেদ খান রাসেল (আওয়ামী লীগ), পাড়াতলীতে ফেরদৌস কামাল জুয়েল (আওয়ামী লীগ), চরমধুয়ায় আহসান শিকদার (স্বতন্ত্র), মির্জানগরে বশির উদ্দিন সরকার রিপন (স্বতন্ত্র), আমিরগঞ্জে ফজলুল করিম ফারুক (স্বতন্ত্র), হাইরমারায় কবির হোসেন (আওয়ামী লীগ), মির্জারচরে জাফর ইকবাল মানিক (স্বতন্ত্র), নিলক্ষ্যায় আক্তারুজ্জামান (স্বতন্ত্র) ও চরসুবুদ্ধিতে নাসির উদ্দিন (আওয়ামী লীগ)।

গাজীপুর

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় বৃহস্পতিবার ১১টি ইউনিয়নের ৮টিতে আওয়ামী লীগ ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। জেলা নির্বাচন অফিসার মো. ইস্তাফিজুল ইসলাম আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলার সদরের কাপাসিয়া ইউনিয়ন থেকে সাখাওয়াত হোসেন (নৌকা), তরগাঁও ইউনিয়নে আয়বুর রহমান (নৌকা), দূর্গাপুর ইউনিয়নে এমএ ওহাব খাঁন খোকা (স্বতন্ত্র), চাঁদপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র ইকবাল মাহমুদ খান (স্বতন্ত্র), রায়েদ ইউনিয়নে মো. শফিকুল হাকিম মোল্লা (নৌকা), সিংহশ্রী ইউনিয়নে মো. আনোয়ার পারভেজ (নৌকা), সনমানিয়া ইউনিয়নে অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক ভূইয়া (নৌকা), ঘাগটিয়া ইউনিয়নে মো. হারুন অর রশিদ (নৌকা), বারিষাব ইউনিয়ন পরিষদে এসএম আতাউজ্জামান (স্বতন্ত্র), টোক ইউনিয়নে এম এ জলিল (নৌকা) ও কড়িহাতা ইউনিয়নে মো. মাহবুবুল আলম মোড়ল (নৌকা) নির্বাচিত হয়েছেন।

শরীয়তপুর

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ৪টি ও বিদ্রোহী প্রার্থী ৫টিতে জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে ২টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাত ৮টায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর মধ্যে সদর উপজেলার তুলাসারে জামাল হোসাইন ফকির (আ.লীগ), রুদ্রকরে সিরাজুল ইসলাম ঢালী (আ.লীগ), পালংয়ে আজাহার খান (আ.লীগ বিদ্রোহী), আঙ্গারিয়ায় আনোয়ার হোসেন হাওলাদার (আ.লীগ বিদ্রোহী), ডোমসারে মাস্টার মজিবুর রহমান খান (আ.লীগ বিদ্রোহী), মাহমুদপুরে শাহজাহান ঢালী (আ.লীগ বিদ্রোহী), শৌলপাড়ায় মো. ভাষানী ( আ.লীগ বিদ্রোহী)

এছাড়া আওয়ামী লীগ থেকে চন্দ্রপুরে আবদুস সালাম খান ও বিনোদপুরে আবদুল হামিদ সাকিদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নের ২০টিতে আওয়ামী লীগ, ৪টিতে জাতীয় পার্টি ও ৫টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয় লাভ করেছেন। বাজিতপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সব কটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।

হুমাইপুর ইউনিয়নে মো. রফিকুল ইসলাম, দিলালপুর ইউনিয়নে মো. গোলাম কিবরিয়া নোভেল, বলিয়ারদি ইউনিয়নে মো. আবুল কাশেম, সরারচর ইউনিয়েন হাবিবুর রহমান, হালিমপুর ইউনিয়নে মো. ওমর ফারুক (রাসেল), হিলচিয়া ইউনিয়নে মাজহারুল হক নাহিদ, দিঘীরপাড় ইউনিয়নে আ. কাইয়ুম, পিরিজপুর ইউনিয়নে মো. জাফর ইকবাল, ইউনিয়নে তবারক মিয়া, গাজিরচর ইউনিয়নে মো. জুয়েল মিয়া ও কৈলাগ ইউনিয়নে মো. কায়ছার -এ-হাবীব। তবে হালিমপুর, বলিয়ারদী ও মাইজচর ইউপি তিনটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তাড়াইল উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৩টি নৌকা, ৩টিতে লাঙ্গল ও একটি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রাথী বিজয়ী হয়েছেন। জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন জাওয়ার ইউনিয়নে মো. ইমদাদুল হক রতন, দিগদাইড় ইউনিয়নে মো. আশরাফ উদ্দিন ভুঞা (আসাদ) ও তাড়াইল-সাচাইল ইউনিয়নে সাঈম-দাদ খান নওশাদ।

আওয়ামী লীগের (নৌকা) প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন রাউতি ইউনিয়নে মো. ইকবাল হোসেন তারেক, ধলা ইউনিয়নে মো. আফরোজ আলম ঝিনুক ও দামিহা ইউনিয়নে এ.কে. মাইনুজ্জামান নবাব বিজয়ী হয়েছেন। তালজাঙ্গা ইউনিয়ন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আবু জাহেদ ভূঞা।

করিমগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে জাতীয় পার্টি ও ৪টিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের বিজয়ীরা হচ্ছেন গুজাদিয়া ইউনিয়নে সৈয়দ মাসুদ, বারঘরিয়ায় কামরুল আহসান কাঞ্চন, নিয়ামতপুরে মো. হেলিম, গুনধর ইউনিয়নে আবু সায়েম রাসেল, জাফরাবাদে আবু সাদাৎ মো. সায়েম ও সুতারপাড়া ইউনিয়নের কামাল হোসেন।

কিরাটন ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে আরিফ উদ্দিন কনক, দেহুন্দায় এম এ হানিফ, জয়কা ইউনিয়নে হুমায়ুন কবির ও নোয়াবাদে মোস্তফা কামাল বিজয়ী হয়েছেন।

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের ৮, বিদ্রোহী ২ ও বিএনপির একজন বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিজীয়রা হলেন, সিঙ্গাইর সদর ইউনিয়নে জাহিনুর ইসলাম সৌরভ (বিএনপি), ধল্লা ইউনিয়নে জাহিদুল ইসলাম (নৌকা), চান্দর ইউনিয়নে শওকত হোসেন বাদল (নৌকা), জার্মিতা ইউনিয়নে আবুল হোসেন (নৌকা বিদ্রোহী), জয়মন্টপ ইউনিয়নে ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাৎ হোসেন (নৌকা), চারিগ্রাম ইউনিয়নে দেওয়ান রিপন হোসেন (নৌকা), তালেবপুর ইউনিয়নে মো.রমজান আলী (নৌকা), সায়েস্তা ইউনিয়নে আবুল হোসেন (বিদ্রোহী), বলধারা ইউনিয়নে আব্দুল মাজেদ খাঁন (নৌকা) ও জামশা ইউনিয়নে গাজী কামরুজ্জামান (নৌকা) নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও বায়রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান জিন্নাহ লাঠু বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ঢাকা

ঢাকার ধামরাইয়ের ১৫টি ইউনিয়নের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এসব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ৮ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৭ জন বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার।

আওয়ামী লীগের বিজয়ীরা হলেন- সানোড়া ইউনিয়নের খালেদ মাসুদ খান লাল্টু, বাইশাকান্দা ইউনিয়নে মো. মিজানুর রহমান মিজান, গাংগুটিয়া ইউনিয়নে মো. আবদুল কাদের মোল্লা, রোয়াইল ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজিম উদ্দিন, কুশুরা ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান, বালিয়া ইউনিয়নে মুজিবর রহমান, সূয়াপুর ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা কফিল উদ্দিন, আমতা ইউনিয়নে নৌকা নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আরিফ হোসেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সোমভাগ ইউনিয়নে মো. আওলাদ হোসেন, যাদবপুর ইউনিয়নে মো. মিজানুর মিজু, ভাড়ারিয়া ইউনিয়নে মোসলেম উদ্দিন মাসুম, ধামরাই সদর ইউনিয়নে মো. মশিউর রহমান, কুল্লা ইউনিয়নে হাজি মো. লুৎফর রহমান, নান্নার ইউনিয়নে মো. আলতাব হোসেন মোল্লা, চৌহাট ইউনিয়নে পারভিন হাসান প্রীতি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজবাড়ী

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার ছোট ভাকলা ও উজানচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন উজানচর ইউনিয়নে মো. গোলজার হোসেন মৃধা ও ছোট ভাকলা ইউনিয়নে মো. আমজাদ হোসেন।

ফরিদপুর

ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ফলাফল পাওয়া গেছে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন। নগরকান্দা উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী, ৩টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

এরা হলেন- চরযশোরদী ইউনিয়নে কামরুজ্জামান সাহেব ফকির (নৌকা), পুরাপাড়ায় আতাউর রহমান বাবু ফকির (আনারস), কোদালিয়া শহীদনগরে খোন্দকার জাকির হোসেন নিলু (নৌকা), কাইচাইলে মোস্তফা খান (নৌকা), লস্করদিয়ায় হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার (চশমা), তালমায় কামাল হোসেন মিয়া (মোটরসাইকেল), রামনগরে কাইমুদ্দিন মন্ডল (আনারস), ডাঙ্গীতে কাজী আবুল কালাম (নৌকা) ও ফুলসুতি ইউনিয়নে আরিফ হোসেন (নৌকা)।

সালথা উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন- রামকান্তপুর ইউনিয়নে ইশারত হোসেন (স্বতন্ত্র),আটঘরে শহিদুল হাসান খান সোহাগ (নৌকা),ভাওয়ালে ফারুকুজ্জামান ফকির মিয়া (নৌকা),গট্টিতে হাবিবুর রহমান লাবলু (নৌকা), মাঝারদিয়ায় আফসার উদ্দিন মাতুব্বর (নৌকা), সোনাপুরে খায়রুজ্জামান বাবু মোল্লা (নৌকা), যদুনন্দীতে মো. রফিক মোল্লা (স্বতন্ত্র) ও বল্লভদি ইউনিয়নে নুরুল ইসলাম (নৌকা)।

এর মধ্যে নগরকান্দার লস্করদিয়া ইউনিয়নে চশমা প্রতীকের হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি।

মুন্সিগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, ৮টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও অপর একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন- উপজেলার রাড়িখাল ইউনিয়নে বারেক খান (নৌকা), ভাগ্যকূলে শাহাদাত কাজী (নৌকা), শ্রীনগরে তাজুল ইসলাম (আনারস), ষোলঘরে আজিজুল ইসলাম (নৌকা), তন্তরে আলী আকবর (আনারস),আটপাড়ায় ফজলুর রহমান (চশমা), পাটাভোগে মুন খান (নৌকা),বীরতারায় জিল্লুর রহমান (আনারস), শ্যামসিদ্ধিতে জি এস নাজির (আনারস), হাসাড়ায় সোলাইমান (আনারস) বাঘড়ায় তানজিল (টেলিফোন), কোলাপাড়ায় রফিকুল ইসলাম বাবু (আনারস), কুকুটিয়ায় বাবুল হোসেন বাবু (আনারস) ও বাড়ৈখালী ইউনিয়নে ফারুক হোসেন (নৌকা)।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের তিন উপজেলার ১৮ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৩টিতে নৌকা এবং পাঁচটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের তিন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

সখীপুর উপজেলার চার ইউপির দুটিতে নৌকা ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। কাকড়াজান ইউপিতে নৌকার বিদ্রোহী দুলাল হোসেন, বহেড়াতৈলে নৌকার ওয়াদুদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। যাদবপুরে নৌকার এ কে এম আতিকুর রহমান, বহুরিয়ায় বিদ্রোহী প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ নূরে আলম মুক্তা নির্বাচিত হয়েছেন।

ধনবাড়ী উপজেলায় চারটির মধ্যে নৌকা এবং একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে মুশুদ্দি, বীরতারা এবং বলিভদ্র ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

উপজেলার ধোপাখালীতে নৌকার আকবর হোসেন, যদুনাথপুরে মীর ফিরোজ আহমেদ, বানিয়াজানে রফিকুল ইসলাম তালুকদার ফটিক এবং পাইস্কায় বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়াও বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিতরা হলেন, বলিভদ্রে রফিকুল ইসলাম, মুশুদ্দিতে আবু কাসাছার ও বীরতারাতে আমহেদ আল-ফরিদ।

দেলদুয়ারে সাত ইউপির পাঁচটিতে নৌকা ও দুটিতে বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। তারা হলেন-ডুবাইল ইউনিয়নে নৌকার ইলিয়াস মিয়া, ফাজিলহাটীতে শওকত আলী, দেলদুয়ার সদরে মাসুদ উজ্জামান খান, পাথরাইলে রাম প্রসাদ ও দেউলীতে তাহমিনা হক। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লাউহাটীতে শাহীন মোহাম্মদ খান ও এলাসিনে মানিক রতন বিজয়ী হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হয়েছেন ১০টিতে নৌকা, ৩টি লাঙ্গল ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী। এর আগে একক প্রার্থী থাকায় ৫ ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকের ৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়।

নারায়ণগঞ্জ সদরে কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে এম সাইফুল্লাহ বাদল, এনায়েত নগর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে মো. আসাদুজ্জামান, আলীটেক ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাকির হোসেন, গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফজর আলী, বন্দর উপজেলায় বন্দর ইউনিয়ন পরিষদে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে এহসান উদ্দিন আহমেদ, মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে গাজী এম এ সালাম, ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন, মুসাপুর ইউনিয়ন পরিষদে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মাকসুদ হোসেন, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন প্রধান বিজয়ী হন।

রূপগঞ্জ উপজেলায় কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাহেদ আলী, ভুলতা ইউনিয়ন পরিষদে, ভোলাব ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন টিটু চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ছাড়া একক প্রার্থী হওয়ায় এর আগে ৫টি ইউনিয়ন পরিষদে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে এম শওকত আলী, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে মনিরুল ইসলাম সেন্টু, ভুলতা ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে ব্যারিস্টার আরিফুল হক ভুঁইয়া, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে তোফায়েল আহমেদ আলমাছ, গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে কামরুল হাসান তুহিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

মাদারীপুর

মাদারীপুরের দুটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ৪টি আওয়ামী লীগ, ৯টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

কালকিনিতে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন এবং ৩টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।

এ ছাড়াও ডাসার উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের একটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও ৪টিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। কালকিনি উপজেলায় স্বতন্ত্র বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে মৌসুমি হক সুলতানা, সাহেবরামপুর ইউনিয়নে মুরাদ সরদার, বাশগাড়ী ইউনিয়নে মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, কয়ারিয়া ইউনিয়নে কামরুল ইসলাম মোল্লা (নুর মোহাম্মদ), শিকারমঙ্গল ইউনিয়নে সিরাজুল হক মাল।

আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান হলেন সিডি খান ইউনিয়নে চানমিয়া শিকদার, আলীনগর ইউনিয়নে সাহিদ পারভেজ, রমজানপুর ইউনিয়নে বিএম মিল্টন ইব্রাহিম।

ডাসার উপজেলার ডাসার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন রেজাউল করিম ভাষাই। এ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন কাজীবাকাই ইউনিয়নে নুর মোহাম্মদ হাওলাদার, বালিগ্রাম ইউনিয়নে মজিবুর রহমান, নবগ্রাম ইউনিয়নে দুলাল তালুকদার, গোপালপুর ইউনিয়নে নির্বাচিত হয়েছেন ফরহাদ হোসেন। এদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

গোপালগঞ্জ

দ্বিতীয় ধাপে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে আজ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এরমধ্যে সাতটি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি ৭টি ইউনিয়নে ছিল না কোনো দলীয় প্রতীক।

গোপালগঞ্জে কাশিয়ানীতে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে চারটিতেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খোরশেদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১২ নভেম্বর) কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচনের ফলাফল পাওয়া গেছে।

এতে দেখা যায়, কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আলী খোকনের কাছে পরাজিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী মশিউর রহমান খান। মো. আলী খোকন আনারস প্রতীকে নয় হাজার ৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মশিউর রহমান খান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন পাঁচ হাজার ৩৬৯ ভোট।

সাজাইল ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহাবুবুল আলমের কাছে পরাজিত হয়েছেন। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহাবুবুল আলম মোটরসাইকেল প্রতীকে ছয় হাজার ৬১২ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কাজী জাহাঙ্গীর আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৩১০ ভোট।

পারুলিয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মোটরসাইকেল প্রতীকে দুই হাজার ২৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিল্লাল হোসেন টেলিফোন প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৬৪২ ভোট।

মাহমুদপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক মিরাজ চশমা প্রতীকে এক হাজার ৫১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাক আলী অটোরিকশা প্রতীকে এক হাজার ৪৩৫ ভোট পেয়েছেন।

মহেশপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত লুৎফর রহমান মিয়া চার হাজার ৬৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে আবুল বাসার মোল্লা পেয়েছেন তিন হাজার ৮৪৪ ভোট।

রাজপাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিল্টন মিয়া চার হাজার ৩২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী টেলিফোন প্রতীকের সাইফুল সরদার পেয়েছেন দুই হাজার ২৯৯ ভোট।