[gtranslate]

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ১৫, ২০২৩, ৪:০০ অপরাহ্ণ / ২২
জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে

স্টাফ রিপোর্টার:

মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের একটি বিশেষ সম্পদ গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স এর ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এর কাজ চলমান। ইতিমধ্যে ১০ তলা থেকে ১৫ তলা পর্যন্ত ছাদের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এখানে ডেভেলপার হিসেবে কাজ করতেছে এস এম আলাউদ্দিন মালিকানাধীন,, দ্য ওয়েস্টার্ন ডেভেলপার,, লিমিটেড। প্রায় ২৮ হাজার স্কয়ার ফিটের এই বিল্ডিং এর কাজ ২০ তলা পর্যন্ত সম্পন্ন করা হবে। কিন্তু এই ডেভলপারস কোম্পানির কিছু কর্মকর্তাদের, কাজ বন্ধ করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বাধ্য করে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের নিয়োগপ্রাপ্ত ওই ভবনের দায়িত্বরত সহকারি চিফ ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলেছেন। এমনকি এই ডেভলপারস কোম্পানিতে তার আপন ভাতিজা ফরহাদ কে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিতে জোরপূর্বক বাধ্য করে ডেভলপারস কোম্পানিকে। আবার কিছুদিন পরে ডেভেলপার কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ মূল কন্ট্রাকটর মঈন সাবকে অপমান অপদস্ত করে এই ফরহাদকেই সাব কন্টাক্টর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।এবার চাকরিজীবী থেকে ব্যবসায়ী বানিয়ে দিলো এই ফরহাদকে। আর এই ফরহাদ এর মাধ্যমেই প্রতিটা সেক্টর থেকে প্রতিনিয়ত মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নীরবে-নিভৃতে এই সাজ্জাদুল ইসলাম। শুধু তাই নয় ইট,বালু,সিমেন্ট,রড সহ যাবতীয় মালামাল সাইডে সরবরাহ করতে হলে এই ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাদকে প্রতিবার সুনির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ দিতে হয় উনার ভাতিজা ফরহাদ এর মাধ্যমে। এমনকি ছাদ ঢালাই এর সময় পারস্কয়ার ফিটে ২০ টাকা দিতে হয়। রেডিমিক্স এবংকে সিমেন্ট সাপ্লাই এর সুযোগ পাওয়ার জন্য মীর সিমেন্ট কোম্পানিকে এককালীন 50 লক্ষাধিক টাকা গুনতে হয় কথিত এই ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাত কে দিতে। ডেভলপার কোম্পানি ইটের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ১৬ টাকা। আর এই সাজ্জাদ গেং ১১.৫০ টাকায় অত্তন্ত নিম্ন মানের ইট সরবরাহ করতেছে। কলামে সাটারিং এ রডের তারতম্য দৃশ্যমান,যেখানে যত মিলি রড দেওয়ার দরকার সেখানে তত মিলি রড দেওয়া হচ্ছে না। কম্পানি সিমেন্টের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে ৫৫০ টাকা উনারা কিনতেছে ৪৫০ টাকায়।ডেভলপার কোম্পানী প্রতি গাড়ির মূল্য দিচ্ছে ৩৫০০ টাকা করে কিন্তু এই ফরহাদ অত্যন্ত নিম্নমানের বালু সংগ্রহ করতেছে প্রতি গাড়ির মূল্য দিচ্ছে ২৪০০ টাকা করে।গাতনি এবং প্লাস্টারে অধিক পরিমাণে নিম্নমানের বালু মিশ্রিত হচ্ছে,প্রয়োজনের তুলনায় সিমেন্ট মিশ্রিত হচ্ছে অতি সামান্য। আর এই সবকিছুই করতেছে বর্তমান সাব কন্ট্রাকটর ফরহাদ,ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাদের ইশারায়। উনি সরকারি চিপ ইঞ্জিনিয়ার হওয়ায় উনার কাছে ডেভলপারস কোম্পানির কর্মকর্তারা নিতান্তই অসহায়। তাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযুদ্ধাদের এই সম্পদ দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে রক্ষা এবং মান সম্পন্ন কাজের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি খুব জরুরী।