[gtranslate]

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : মার্চ ১২, ২০২৩, ৫:২০ অপরাহ্ণ / ২৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ধলখৈর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চাকুরীরত মমতাজ বেগম(৩১) নামের এক শিক্ষিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষিকা মমতাজ বেগম বলেন প্রধান শিক্ষক দূর্দান্ত বদমাস ও পরধনলীপ্সু প্রকৃতির ব্যক্তি,শিক্ষকতার আড়ালে এলাকার যে কোন প্রকার অপকর্ম/আর্থিক অপকর্মে জড়িত থাকে। তিনি বলেন ৪নং সহকারী শিক্ষক পদে আমাকে নিয়োগ দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে আমার কাছ থেকে ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা গ্রহণ করেন প্রধান শিক্ষক। পরবর্তী সময়ে জানতে পারি কাগজপত্রে আমার নাম ৫ নম্বরে রয়েছে । বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে মৌখিকভাবে জানাতে গেলে প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকগণ একত্রে হয়ে আমাকে মানসিক ও শারিরীক ভাবে হেও করার অপচেষ্টা করে যাহা আমি আমার চাকুরী ছেড়ে স্বেচ্ছায় চলে যায়। আমি আমার চাকুরীতে বহাল থাকা অবস্থায় শিক্ষকগণ প্রায়ই সময় আমাকে অকর্ঘ্য ও অশ্লিল ভাষা ব্যবহার করে গালমন্দ করতে থাকে। ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম আরও বলেন প্রধান শিক্ষক আমার সাথে যে অন্যায় অবিচার ও প্রতারণা করেছে আমি প্রশাসন মহলের নিকট ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবি জানায় আমার সাথে তারা যে আচারণ করেছে আর যেনো অন্য কারও সাথে না করতে পারে । এবিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল আলীমের নিকট অর্থ এবং সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রধান শিক্ষক সহ সর্বোচ্চ ৫(পাঁচ) জন শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটি নিয়োগ দিতে পারবেন।সরকারী করণ হলেও প্রধান শিক্ষকসহ ৫(পাঁচ) জনের বেতন ও সরকারি অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন টাকার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন আমরা স্কুলের জমি কেনা স্কুল নির্মান সহ বিভিন্ন খাতে যে টাকা খরচ হয়েছে সেটা আমরা পাঁচজন শিক্ষক মিলেই সহযোগিতা করেছি এবং স্কুলের জমি আমাদের পাঁচ জন শিক্ষকের নামে সমান ভাবে রেজিষ্টাড করা আছে সে কি কারণে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে সেটা সেই শিক্ষিকা মমতাজ বেগম ভালো বলতে পারবেন এই বিষয়ে আমরা কিছুই বলতে পারবো না। তবে সংশ্লিষ্ট উপজেলার শিক্ষা অফিসার বলেন ভিন্ন কথা সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক সহ সর্বোচ্চ ৪ (চার) জন শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে পাঁচ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কোন সুযোগ নেই তবে স্কুলটি সরকারি ভাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলে জানান।