[gtranslate]

এক নজরে কুয়েতের ইতিহাসঃ


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৪, ২০২১, ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ / ১২৫
এক নজরে কুয়েতের ইতিহাসঃ

 

তথ্য সংগ্রহে কুয়েত প্রতিনিধিঃ

আলিফ হোসেন ভূঞা।

অফিসিয়াল নাম: দওলত আল কুয়েত।
রাজধানী: কুয়েত সিটি।
সরকার পদ্ধতি: ইউনিটারি কনস্টিটিউশনাল মনার্কি।
আইনসভা: জাতীয় পরিষদ।
আয়তন: ১৭ হাজার ৮২০ বর্গকিলোমিটার।
জনসংখ্যা: ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৬৩৮ জন(২০১৮ অনুসারে)।
ঘনত্ব: প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৫১৮.৫ জন।
মুদ্রা: কুয়েতি দিনার।
মাথাপিছু জিডিপি: ৭৩ হাজার ১৭ ডলার।
প্রধান ধর্ম: ইসলাম।
সরকারি ভাষা: আরবি।
জাতিসংঘে যোগদান: ১৪ মে, ১৯৬৩ সালে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমএইচ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী কুয়েতের মোট জনসংখ্যা ৪৩ লাখের কিছু বেশি। যার মধ্যে কুয়েতি ১৩ লাখ, বাকি ৩০ লাখ বিদেশী।
অর্থাৎ কুয়েতের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশই বিদেশী।

কুয়েতে প্রথম তেলের খনি পাওয়া যায় ১৯৩৮ সালে।দেশটিতে ১৯৪৬ থেকে ১৯৮৩ সালে অবকাঠামো খাতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। গত
শতাব্দীর আশির দশকে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয় দেশটিতে।শেয়ার বাজারে ধস নামায় শুরু হয় অর্থনৈতিক সংকট। ১৯৯০
সালে ইরাক কুয়েত দখল করে নেয়।

আন্তর্জাতিক জোট বাহিনীর হস্তক্ষেপের পর ১৯৯১ সালে এই দখলদারিত্বের অবসান ঘটলে অর্থনীতি ও দেশের অবকাঠামো
পুনর্গঠনে জোর তৎপরতা শুরু হয়।

বর্তমানে কুয়েত অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহৎ তেলের মজুদ রয়েছে দেশটিতে। বিশ্বের সবচেয়ে
শক্তিশালী মুদ্রগুলোর মধ্যে কুয়েতি দিনার অন্যতম।

বিশ্বের ব্যাংকের হিসাব মতে মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে পঞ্চম অবস্থান কুয়েতের। মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় অপেরা হাউসের
অবস্থান দেশটিতে। এই কারণে কুয়েতকে ‘উপসাগরের বলিউড’ বলা হয়।