[gtranslate]

উদ্ধারের তিন দিন পর রংপুরের সেই গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করল সেনাবাহিনী


প্রাচেস্টা নিউজ প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৩, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ / ২৩
উদ্ধারের তিন দিন পর রংপুরের সেই গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করল সেনাবাহিনী

হীমেল কুমার মিত্র, স্টাফ রিপোর্টার 

উদ্ধারের ৩ দিন পর রংপুরে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট। এর আগে নগরীর দমদমা ব্রিজের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গ্রেনেডটি। আজ (২৭ ফেব্রুয়ারি) সোমবার দুপুরে বধ্যভূমির অদূরে গ্রেনেডটি গর্ত খুঁড়ে মাটি চাপা দেয়ার পর বিস্ফোরণ ঘটায় সেনাবাহিনীর বিশেষ বোম ডিসপোজাল টিম। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঘাঘটে গোসল করতে নেমে পায়ের নিচে কিছু একটা অনুভব করেন তাহমিনা নামে এক গৃহবধূ। এরপর হাতে তুলে নিয়ে লোহার বস্তু মনে করে সেটি ভালো করে পরিষ্কার করেন তিনি। পরে বাজারে একটি দোকানে পরিমাপ যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নিয়ে যায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর হাতে থাকা বস্তুটি গরম হতে থাকলে আশপাশের লোকজন এটিকে গ্রেনেড হিসেবে চিহ্নিত করে। পরে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে জানালে গ্রেনেড সদৃশ ওই বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ। একপর্যায়ে আদালতের আদেশসহ সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে বিষয়টি জানানো হয়। সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেনাবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি হেভিওয়েট টিম ঘটনাস্থলে এসে গ্রেনেডটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। পরে বধ্যভূমির অদূরে একটি খোলা স্থানে গর্ত করে বোমাটি মাটি চাপা দিয়ে রাখে। এরপর তারা বিশেষ পদ্ধতিতে গ্রেনেডটি বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুরো এলাকা কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের তাজহাট থানার ওসি নাজমুল কাদের জানান, গ্রেনেডটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। সরকারিভাবে দমদমার এ এলাকাটি একাত্তরের বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের সময় দমদমায় পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র শত শত মানুষকে ধরে এনে হত্যা করেছিল।